মিরপুরে গেইল শো
ঢাকা: টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে গেইল শো দেখার একটা অদম্য বাসনা সবারই থাকে। বিপিএল দর্শকরা এতদিন গেইলকে মিস করছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি এলেন এবং দর্শক মাতালেন। সিলেট রয়্যালসের বিপক্ষে রেস-টু-ফাইনাল ম্যাচ খেলতে এসেছেন ক্যারিবীয় ব্যাটিং দৈত্য। খেললেন দানবীয় ইনিংস।
৫১ বলে ১১৪ রান এসেছে পাঁচ চার ও ১২ ছয়ে। এই ইনিংস দেখার নয়, উপলব্ধি করার। চর্মচক্ষু দিয়ে দেখলেও মনের ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখার মতো। বিপিএলের এক ইনিংসে সর্বাধিক ছক্কা গেইলের। সেটি সিলেট রয়্যালসের বিপক্ষেই খেললেন শুক্রবার। প্রথম বিপিএলেও এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছয় ছিল তাঁরই। ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরসের বিপক্ষে বরিশাল বার্নার্সের হয়ে ১১টি ছয় মেরেছিলেন। ওইবার সিলেটের বিপক্ষে ১০টি ছয়ের মার ছিল তাঁর ইনিংসে। অতএব গেইল মানেই চার ছক্কার ফুলঝুড়ি।
বিশ্ব টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের পর সময়টা ভালো যাচ্ছিল না গেইলের। বাংলাদেশ সফরে রান খরা গেছে তাঁর ব্যাটে। চোট পরিচর্যা শেষে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিলেন ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে। সেখানেও রানের দেখা মেলেনি। পহেলা ফাল্গুন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচে করেছেন আট রান। একদিনের ব্যবধানে সব উল্টে দিলেন। বিপিএলে এসেই সেঞ্চুরি হাঁকালেন।
বিপিএল প্রথম আসরেও বরিশাল বার্নার্সের হয়ে প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন বাঁহতি এই ব্যাটসম্যান। সিলেট রয়্যালসের বিপক্ষে সাত চার ও ১০ ছয়ে ৪৪ বলে খেলেছিলেন ১০১ রানের অপরাজিত ইনিংস। দ্বিতীয় সেঞ্চুরি এসেছিল ঢাকার বিপক্ষে। ছয়টি চার ও ১১টি ছয়ের মারে ৬১ বলে করেছিলেন ১১৬ রান। গতবার পাঁচ ম্যাচে ছিল দুটি সেঞ্চুরি।
গেইল শুধু বিপিএলেই মারকুটে না, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগও (আইপিএল) গেইল ঝড় দেখেছে। এক ইনিংসে সর্বাধিক ১৩টি ছয় আছে তাঁর। নিউজিল্যান্ডের ব্রান্ডন ম্যাককালাম এবং গেইল সমান ১৩টি করে ছয় হাঁকিয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে।
বাংলাদেশ সময়: ২০৫৯ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৩
এসএ/এফএইচএম