 |
ঢাকা: বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নব-নির্বাচিত কমিটিতে ২১ সদস্যের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই নতুন মুখ। পুরনো ও অভিজ্ঞদের পরিবর্তে কাউন্সিলরা অধিকহারে তরুণদের সমর্থন দিয়েছেন।
সভাপতি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কাজী সালাউদ্দিন এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে আব্দুস সালাম মুর্শেদী আগের অবস্থানে থাকলেও চারটি সহ-সভাপতি পদের দুইটিতে পরিবর্তন এসেছে। খেলোয়াড় হিসেবে সদ্যই ক্যারিয়ারের অবসান ঘটানো তরুণ সংগঠক তাবিথ আউয়াল ও আরিফ খান জয় যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এই পদে আগের কমিটির দুই অভিজ্ঞ সংগঠক মনজুর হোসেন মালু ও শওকত আলী খান জাহাঙ্গীর বিদায় নিয়েছেন।
অন্যদিকে ১৫টি সদস্য পদের মধ্যে সাতটিতেই নতুন মুখ এসেছে। তাদের মধ্যে আলমগীর খান আলো, বিজন বড়–য়া, ইকবাল হোসেন, শেখ মোহাম্মদ মারুফ হাসান, ইলিয়াস হোসেন সরাসরি নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে আজমল আহমেদ তপন, আরিফ হোসেন মুন, তৌফিকুল ইসলাম তোফা ও আনোয়ারুল হক হেলাল এই চার প্রার্থীর মধ্যে তিনজন পরবর্তী বিশেষ সাধারণ সভায় নির্বাচিত হবেন। যেখানে হেলাল বাদে বাকি তিন প্রার্থীই নতুন।
আগের কমিটির সাত সদস্য এবার নির্বাচিত হতে পারেননি। তারা হলেন আজফার উজ্জামান সোহরাব, খোরশেদ বাবুল, গোলাম রব্বানী হেলাল, মাহবুবুর রহমান শাহীন, শফিকুজ্জামান, মকবুল হোসেন, হাসানুজ্জামান খান বাবলু। এদের মধ্যে অবশ্য খুরশিদ আলম বাবুল সহ-সভাপতি পদে নির্বাচন করে হেরেছেন। বাকিরা সদস্য পদে নির্বাচিত হতে পারেননি।
তবে সদস্য পদের নির্বাচনে নতুন দুই প্রার্থীর দিকে কাউন্সিলরদের বিশেষ দৃষ্টি ছিল। প্রথমবারের মতো বাফুফে নির্বাচনে একজন পুলিশ কর্মকর্তা ও একজন নারী প্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্য মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শেখ মোহাম্মদ মারুফ হাসান ষষ্ঠ সর্বোচ্চ ভোট (৬৯টি) পেয়ে নির্বাচিত হন। অন্যদিকে মাত্র এক ভোটের ব্যবধানে হেরে যান নারী প্রার্থী মাহফুজা আক্তার কিরণ। তিনি পেয়েছেন ৫৫টি ভোট।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৫৮ ঘণ্টা, মে ০২, ২০১২
এএইচবি
সম্পাদনা: সেকান্দার আলী, বিভাগীয় প্রধান স্পোর্টস