 |
কলোরাডো (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে: শাহবাগের রাজাকারবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে পূর্ণ একাত্মতা ঘোষণা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো অঙ্গরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীরা।
ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডো বোল্ডারের মারুফ ও আরাফাত, ইউনিভার্সিটি অব ডেনভারের আশা, কলোরাডো স্কুল অব মাইন্সের পুলক, ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডো ডেনভার ক্যাম্পাসের পিউ, তরুণ প্রকৌশলী ইমন ও ইভান অত্যন্ত দক্ষতা ও দ্রুততার সাথে এই সংহতি সমাবেশের আয়োজন করে।
স্নাতকোত্তর ছাত্র জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও শনিবার দিনব্যাপী ইন্টারনেটে গণসংযোগ আর নগর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে শেষ মুহূর্তে সমাবেশের অনুমতি নেয়া শেষে রাত জেগে সাম্প্রদায়িক শক্তি বিরোধী পোস্টার, ফেস্টুন আর প্ল্যাকার্ড তৈরি করেন তারা।
১০ মার্চ দুপুর ঠিক তিনটায় চরম শৈত্য উপেক্ষা করে সমাবেশস্থলে হাজির হয় তরুণ-তরুণীর দল। কলোরাডো রাজ্যের রাজধানী শহর ডেনভারের কেন্দ্রস্থলে নগরীর কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরী ও আর্ট মিউজিয়ামের মাঝের চত্বরে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশ শুরু হয় জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে।
এর পরেই মারুফের সঞ্চালনায় একাত্তরের রাজাকারদের মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িকতামুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে শপথ নেন উপস্থিত সকলে।
ছাত্রযুবকদের এই আয়োজনে সংহতি জানাতে সমাবেশে উপস্থিত হয়েছিলেন ডেনভার প্রবাসী বাংলাদেশের বিশিষ্ট লেখক দম্পতি ড. জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত ও ড. পুরবী বসু, ইউনিভার্সিটি অব ডেনভারের অধ্যাপক ড. হায়দার খান ও ড. মোহাম্মদ ইরফান, কলোরাডো স্কুল অব মাইন্সের তমাল ও লিপি, প্রবাসী বাংলাদেশি নারীদের মধ্যে মাকসুদা আইরীন মুকুল, রিফাত আজম লুনা ও নুরজাহান হালিম বাহার, দ্বিতীয় প্রজন্মের বাঙালি মার্কিনি রামিসা, পুরক, পারিসা ও তার ছোট বোন।
সভাশেষে জামায়াত শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা ও রাজাকারদের বিচারের দাবীতে স্লোগান তোলে সমবেত বাঙালি শিশু, কিশোর, যুব-জনতা।
ঢাকার শাহবাগের মতোই ডেনভারের সমাবেশটি বাঙালি তরুণ শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফুর্ত উদ্যোগে হয়। ডেনভারের সচরাচরের বাংলাদেশি কমিউনিটি সংগঠকদের অপেক্ষায় না থেকে তরুণরা নিজেরাই মাঠে নেমে পড়ে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ যে তরুণদের হাতে একথা ডেনভারে আরো একবার প্রমাণিত হল।
বাংলাদেশ সময়: ১৬১২ ঘণ্টা, মার্চ ১১, ২০১৩
সম্পাদনা: শরিফুল ইসলাম, নিউজরুম এডিটর, eic@banglanews24.com