ঢাকা : হরতালে সচিবালয়ে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় শাহবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় ১৮ দলীয় জোটের ২৯ নেতার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করায় জোটের তিন এমপিকে আবার আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে।
যদিও গাড়ি পোড়ানোর মামলায় তারা সোমবার জামিন পেয়েছিলেন।
প্রসঙ্গত, এ মামলায় চার্জশিট না হওয়া পর্যন্ত তাদের জামিন মঞ্জুর করেছিলেন হাইকোর্ট।
তিন এমপি হচ্ছেন- এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমেদ, বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।
এ বিষয়ে বিএনপি নেতাদের আইনজীবী অ্যাড. সানা উল্লাহ মিয়া বাংলানিউজকে বলেন, ‘অবশ্যই আত্মসমর্পণ করতে হবে। তবে আমরা ইতিমধ্যে ২২ জন আসামির আত্মসমর্পণের পিটিশন আদালতে দাখিল করেছি।’
শাহবাগ থানার মামলায় বিএনপিসহ ১৮ দলীয় জোটের ২৮ জন নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়। সচিবালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ, গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে এসআই হীরেন্দ্রনাথ প্রামাণিক বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলাটি (মামলা নম্বর ৪৪) দায়ের করেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও শাহবাগ থানায় দায়ের হওয়া মামলার অপর আসামিরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আসম হান্নান শাহ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা মহানগর বিএনপির আহবায়ক সাদেক হোসেন খোকা, সদস্য সচিব আব্দুস সালাম, কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, রুহুল কবীর রিজভী, স্বণির্ভর বিষয়ক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালূকদার দুলু, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানী, বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, সংরক্ষিত আসনের সাংসদ আশিফা আশরাফী পাপিয়া, শাম্মী আক্তার, রেহেনা আক্তার রানু, নিলুফার চৌধুরী মনি, যুবদলের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নীরব, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক সরফত আলী সপু, ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, রেহেনা আক্তার ডলি, আনিসুর রহমান খোকন, আব্দুল মতিন, এসএম জাহাঙ্গীর, কামরুজ্জামান দুলাল, কামরুজ্জামান রতন ও মোরতাজুল করিম।
বাংলাদেশ সময় : ১৪৪৫ ঘণ্টা, মে ৩১, ২০১২
এমইএস/সম্পাদনা : বেনু সূত্রধর, নিউজরুম এডিটর ও অশোকেশ রায়, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর