 |
মাতারা: এক বছরেরও বেশি সময় পর টেস্ট দলে ডাক পেয়ে প্রস্তুতিতেই শতক হাঁকালেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ আশরাফুল। এদিন মুশফিকুর রহিম, সোহাগ গাজী ও মাহমুদউল্লাহর দুর্দান্ত ইনিংসের উজ্জল নক্ষত্র হয়ে থাকলেন মমিনুল হক। কিন্তু এই তারকার এক রানের আক্ষেপও থাকলো। নার্ভাস ৯৯ রানে গিয়ে উইকেটটা দিয়েছেন তিনি।
শ্রীলঙ্কা উদীয়মান একাদশ: প্রথম ইনিংস- ৪১০
বাংলাদেশ: প্রথম ইনিংস- ৪৭৯
ফল: ম্যাচ ড্র
দিনশেষে প্রথম ইনিংসে ৪৭৯ রানে গুটিয়ে গেলেও শ্রীলঙ্কা উদীয়মান একাদশের বিপে ব্যাটিং প্রস্তুতিটা দারুণ হলো বাংলাদেশের। স্বাগতিকদের ৪১০ রানের জবাবে সফরকারীরা প্রথম ইনিংসে ৬৯ রানে এগিয়ে থেকে শেষ করে খেলা।
দ্বিতীয় দিন বৃষ্টি বাধা হলে ছয় ওভারের বেশি খেলা হয়নি। বাংলাদেশ ২.৪ ওভার ব্যাট করে বিনা উইকেটে ৮ রান করেছিল। সেখান থেকেই তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে জহুরুল ইসলাম ও এনামুল হক। আরো ১৪ রান যোগ করতে এ জুটি ভাঙে, ৬ রানে সাজঘরে ফিরেন এনামুল। ২৯ রানে আউট হন জহুরলও।
৪৫ রানে দুই উইকেট হারানো বাংলাদেশকে স্বস্তি এনে দেন আশরাফুল ও মমিনুল হক জুটি। ১৭৮ রান আসে তৃতীয় এ জুটিতে। আশরাফুল ১৫১ বলে ১১ চার ও এক ছয়ে ১০২ রানে আউট হন। দলের দ্বিতীয় শতকের পথে ছিলেন মমিনুল, কিন্তু নড়বড়ে ৯০ এর ঘরে আউট হন টেস্ট অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা এ ব্যাটসম্যান। ১৩৮ বলে ৯৯ রান করেন তিনি।
সহ-অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ৪৯ বলে তিনটি করে চার ও ছয়ে ৫৬ রান করেন। এরপর নাসির হোসেন বেশিক্ষণ ক্রিজে না থাকলেও মুশফিক ও সোহাগের দুর্দান্ত জুটিতে লিড নেয় বাংলাদেশ। ৬৯ বলে ১১ চার ও এক ছয়ে ৮১ রানে মাঠ ছাড়েন মুশফিক। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে ৮২ রানে টিকে ছিলেন সোহাগ, খেলেছেন ৫২ বলে ১৩ চার ও দুই ছয়ের ঝড়ো ইনিংস।
উদীয়মান একাদশের পে আশেন সিলভা সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন। দুটি দখল করেন লাহিরু গামেজ।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৪০ ঘণ্টা, ৫ মার্চ ২০১৩
এফএইচএম/এসএ