 |
ফরিদপুর: ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের কাশেমাবাদ গ্রামের স্কুলছাত্রী জাকিয়া সুলতানা চম্পার (১৫) লাশ কবর থেকে তোলার পর ম্যাজিস্ট্রেটের করা সুরতহাল প্রতিবেদনের সঙ্গে তার শরীরের কোনো মিল পায়নি মেডিকেল টিম।
শনিবার সকালে লাশ কবর থেকে তোলার পর দুপুরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।
প্রতিবেদন তৈরি করেন ম্যাজিস্ট্রেট শাহীদুল ইসলাম, ইমরুল হাসান ও কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল খায়ের। সুরতহাল তৈরি শেষে চম্পার লাশ পুনঃময়না তদন্তের জন্য গঠিত মেডিকেল টিমের কাছে পাঠিয়ে দেন তারা।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের বিশেষজ্ঞ মো. হাবিবুর রহমান, এস এম খবিরুল ইসলাম ও মোজাহারুল ইসলাম দুপুর ৩টার দিকে মর্গে পুনঃময়না তদন্তের কাজ করেন।
ময়না তদন্তকারীদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ আ স ম জাহাঙ্গীর চৌধুরী টিটো।
ডা. টিটো সাংবাদিকদের বলেন, “সকালে ম্যাজিস্ট্রেট যে সুরতহাল রির্পোট করেছে তার সঙ্গে লাশের বডির কোনো মিল নেই। আমি তদন্তটিমকে লাশ ঢাকা পাঠানোর জন্য পরামর্শ দিয়েছি।”
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “লাশের যে অবস্থা বর্তমানে আছে তাতে আমরা তদন্ত রির্পোট দিলে আপনারা মনে করবেন প্রথমে ডা. অঞ্জন কুমার যে রির্পোট দিয়েছিল তা বহাল রাখতে আমরা কাজ করছি।”
বাংলাদেশ সময়: ২০০০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০৫, ২০১৩
সম্পাদনা: প্রভাষ চৌধুরী, নিউজরুম এডিটর