 |
ঢাকা: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেনে আবারও ধস নেমেছে। সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার সূচক কমার পাশাপাশি লেনদেন দাঁড়িয়েছে ১শ ২১ কোটি টাকায়।
চলতি বছরের প্রথম দিন থেকেই লেনদেন ২০০ কোটি টাকার নিচে নেমে এসেছে। এর মধ্যে গত ২ জানুয়ারি লেনদেন ৫ মাসের সর্বনিম্ন ১শ ২০ কোটি টাকায় নেমে আসে। বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ কমে যাওয়া এবং বছরশেষে নতুন করে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় হয়ে না ওঠায় লেনদেন কমছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, রোববার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এক অনুষ্ঠানে শেয়ারবাজারের ৪ বছরের ঘটনা নিয়ে সরকার বিব্রত নয় এবং দেশের অর্থনীতিতে শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেই বলে মন্তব্য করেন। এতে সোমবার বাজারের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব লক্ষ করা যায়।
সোমবার ডিএসইতে দিনশেষে সাধারণ মূল্য সূচক ৩৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ১শ ২৬ পয়েন্টে। এদিন মোট লেনদেন হয়েছে ১শ ২১ কোটি ৯৭ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। লেনদেন হওয়া মোট ২শ ৬১টি কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৪২টির, কমেছে ১শ ৯০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টি কোম্পানির শেয়ার দর।
ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ইউনাইটেড এয়ার, বেক্সিমকো, ইউনিক হোটেল, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, সামিট পাওয়ার, এনবিএল, জেনারেশন নেক্সট, বেক্সফার্মা, এনভয় টেক্সটাইল, জিপি।
দরবৃদ্ধির শীর্ষে থাকা ১০ কোম্পানি হচ্ছে- পাইওয়নিয়ার ইন্স্যুরেন্স, দেশ গার্মেন্টস, ৮ম আইসিবি, রেনেটা, ম্যারিকো, অ্যাপেক্স ফুড, এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, রহিম টেক্সটাইল, তাকাফুল ইন্স্যুরেন্স ও রূপালী লাইফ।
দরকমার শীর্ষে ১০ কোম্পানি হচ্ছে- শমরিতা হসপিটাল, ইবিএল এনআরবি, মাইডাস ফাইন্যান্স, আইসিবি ইমপ্লয়িস প্রভিডেন্ড স্কিম ওয়ান, আইসিবি ফার্স্ট এনআরবি, রেনউয়িক জজ্ঞেস্বর, পাওয়ার গ্রিড, এআইবিএল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, জেনারেশন নেক্সট ও গ্রামীণ ওয়ান।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক ৬০ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ২৪ পয়েন্টে। এদিন মোট আর্থিক লেনদেন হয়েছে ১৬ কোটি টাকা। লেনদেন হওয়া ১শ ৭০টি কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ১৭টির, কমেছে ১শ ৪০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৩টি কোম্পানির শেয়ার দর।
বাংলাদেশ সময়: ১৭০৩ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০৭, ২০১৩
জেএনএ/সম্পাদনা: আবু হাসান শাহীন, নিউজরুম এডিটর, আশিস বিশ্বাস, অ্যাসিস্ট্যান্ট আউটপুট এডিটর, eic@banglanews24.com