 |
গাইবান্ধা: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বৃহস্পতিবারের সংঘর্ঘের ঘটনায় শুক্রবার সকাল থেকে স্থানীয় জামায়াত ও আওয়ামী লীগের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে।
সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে উপজেলার বংশারহাটে সংঘর্ষ শুরু হয়। বর্তমানে বংশারহাট ছাড়াও ব্রামন ডাঙ্গা ও সাইতান তলায় সংঘর্ষ চলছে।
দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে বিক্ষৃদ্ধ জামায়াত কর্মীরা সাইতান বাজারে সোনারায় ইউনিয়ন আ.লীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সেলিম মিয়ার মার্কেটে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে স্থানীয় লোকজন ও দমকল কর্মীরা আগুন নিভিয়ে ফেলে। এতে সাতটি দোকান পুড়ে যায়। সকাল থেকে এখন পযর্ন্ত পাঁচজন আহতের খবর পাওয়া গেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে শুক্রবার দুপুর বারোটার দিকে সুন্দরগঞ্জ পৌর এলাকায় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আহসান হাবিব ১৪৪ ধারা জারির বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলানিউজকে বলেন,‘ অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পৌর এলাকায় পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পযর্ন্ত ১৪৪ ধারা বলবত থাকবে।
এদিকে সকালে জামায়াতের হামলায় এক রিকশাচালক নিহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জামায়াত-শিবির ও পুলিশের সংঘর্ষে ৩ পুলিশসহ ৬ জন নিহত হওয়ার পর ওই এলাকার আওয়ামী লীগ নেতারা শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে নিজেদের মধ্যে করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন। জামায়াতের নেতাকর্মীরা এখবর পেয়ে তাদের ওপর আক্রমণ চালায়। এতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।এতে এক রিকশাচালক নিহত হয়।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির আদেশের আগে ও পরে সারা দেশে সহিংসতায় দলটির নেতাকর্মীসহ অন্তত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশের তিন সদস্য, যুবলীগের তিন কর্মী এবং একজন প্রকৌশলীও রয়েছেন। এর মধ্যে শুধু গাইবান্ধায় চার পুলিশ সদস্যসহ ৭ জন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।
বাংলাদেশ সময়: ০৯১০ ঘণ্টা, মার্চ ০১,২০১৩
আরইউ/সম্পাদনা: নূরনবী সিদ্দিক সুইন, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর