 |
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ): কেন্দ্রীয় নেতাদের মুক্তির দাবিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের ডাকা ২ দিনের সকাল-সন্ধ্যা হরতালের প্রথম দিন সোমবার সকালেই নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় সংঘর্ষ, গুলি বর্ষণ, আটক, ভাঙচুর ও আহতের ঘটনা ঘটেছে।
সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে উপজেলার ভুলতা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সকালে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ও পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৬ রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। এতে অন্তত ৫ জন আহত হন। আহতদের নাম জানা যায়নি। এছাড়া পৃথক স্থানে ৭/৮টি গাড়ি ভাঙচুর করে হরতালকারীরা।
সকালে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আনোয়ার সাদাত সায়েম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম ইমন, আলমগীর হোসেন টিটু, কামাল হোসেনসহ ছাত্রদলের ৬ জনকে আটক করে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বাংলানিউজকে জানান, সকালে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও থানা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান মনিরসহ তার সমর্থিতরা ভুলতা এলাকায় হরতালের সমর্থনে মিছিল বের করে।
এসময় পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এসময় ২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে।
পরে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আনোয়ার সাদাত সায়েমসহ ওই ৬ নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ।
এদিকে, ছাত্রদল নেতাদের আটক করার খবর পেয়ে নেতাকর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ফের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবস্থান নেয়। এসময় সরকার দলীয় নেতাকর্মী, র্যাব ও পুলিশ তাদের ধাওয়া করে। কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে এসময়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এসময় ৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। একপর্যায়ে হরতাল সমর্থকরা পিছু হটলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
এছাড়া, উপজেলার ভায়েলা, নাহাটি, নিলভিটা ও ভুলতা এলাকায় প্রায় ৭/৮টি গাড়ি ভাঙচুর করে পিকেটাররা।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈনুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১১৪৪ ঘণ্টা, মার্চ ১৮, ২০১৩
সম্পাদনা: শিমুল সুলতানা, নিউজরুম এডিটর-eic@banglanews24.com