 |
| ছবি: জীবন আমীর / বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
ঢাকা: বসুন্ধরার পণ্য মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা (জনসংযোগ) এবং মানবসম্পদ ও প্রশাসন বিভাগের প্রধান লে. কর্নেল (অব:) খন্দকার আব্দুল ওয়াহেদ।
বসুন্ধরা টিস্যু পেপার ও হাইজিন প্রোডাকশনের দুই দিনব্যাপী বিক্রয় প্রতিনিধিদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানের শেষ দিন সোমবার বিকেলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন জেলার ২৩৩ জন বিক্রয় প্রতিনিধিদের নিয়ে এ ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
খন্দকার আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, “সততার সঙ্গে কাজ করলে বসুন্ধরার পণ্য যেমন মানুষ চিনবে, তেমনি গ্রাম-গঞ্জ পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। এতে আপনারা যেমন লাভবান হবেন, তেমনিভাবে বসুন্ধরাও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারবে।”
খন্দকার ওয়াহেদ বলেন, ‘‘যদি আপনারা সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে বসুন্ধরাকে মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে পারেন, তাহলে আপনাদের জন্য ভালো প্যাকেজ থাকবে।’’
বিক্রয় প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “সততার সঙ্গে কাজ করুন, কোথাও ঠেকে থাকবেন না। আপনাদের চেষ্টার ফলেই বসুন্ধরার পণ্য আজ মানুষের দোরগোড়ায়। আপনাদের গত দুই দিনে যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, তা কাজে লাগিয়ে সুনামের সঙ্গে কাজ করতে হবে। বসুন্ধরার উদ্দেশ্য, মানুষের কল্যাণে কাজ করা।”
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বসুন্ধরা গ্রুপের পেপার ও হাইজিন প্রোডাক্টসের হেড অব ডিভিশন মজিবুর রহমান, এ-ফোর পেপার এবং এক্সারসাইজ বুকের এজিএম মো. ইউসুফ আলী সরকার, হাইজিন প্রোডাক্টসের ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শেষে ওরিয়েন্টেশনে প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ২৩৩ জন বিক্রয় প্রতিনিধিকে সনদপত্র, পরিচয়পত্র ও নতুনদের যোগদানপত্র দেওয়া হয়।
এর আগে রোববার ওরিয়েন্টেশনের উদ্বোধন করেন বসুন্ধরা গ্রুপের ঊর্ধ্বতন উপদেষ্টা (গবেষণা ও উন্নয়ন) এ আর রশিদী।
উল্লেখ্য, বসুন্ধরা টিস্যু পেপার, কাগজজাতসহ অন্যান্য পণ্য দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে ১৬টি দেশে রফতানি হচ্ছে। ১৯৮৭ সালে রিয়েল এস্টেট ব্যবসার মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে ১৯৯৩ সালে বসুন্ধরা গ্রুপ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৫৩ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৩
আরইউ/ সম্পাদনা: আসিফ আজিজ, নিউজরুম এডিটর ও অশোকেশ রায়, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর- eic@banglanews24.com