ঢাকা: মোহামেডানকে মৌসুমের সবচেয়ে বড় হারের লজ্জা দিল মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র। গ্রামীণফোন প্রিমিয়ার লিগে মোহামেডানকে গুনে গুনে চার গোল দিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা। শনিবার ৪-১ গোলের জয়ে পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয়স্থানে উঠে এসেছে অলরেডসরা।
নিজেদের হোমভেন্যু গোপালগঞ্জের শেখ ফজলুল হক মনি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই প্রাধান্য বিস্তার করে মুক্তিযোদ্ধা। ১১ মিনিটে ব্রাজিলিয়ান থিয়াগো টাইসন সিলভার গোলে এগিয়ে যায় অলরেডরা। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে সমতায় ফেরে মোহামেডান। সফরকারীদের পক্ষে গোল করেন দলের নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড অগাস্টিন চিজোবা (১-১)। তবে বেশিক্ষণ সমতা ধরে রাখতে পারেনি সাদা-কালো জার্সিধারীরা। ৬৬ মিনিটে ইউসুফের গোলে আবারো এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা (২-১)। দশ মিনিট পরেই ব্যবধান আরো বাড়িয়ে নেয় মানিকের শিষ্যরা। ৭৬ মিনিটে মুক্তিযোদ্ধার তৃতীয় গোলটি করেন নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার ডার্লিটন চিজোবা। মোহামেডানের পরাজয়ের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেনে মো. রনি। ৯০ মিনিটের এই গোলের সুবাদে ৪-১ ব্যবধানে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে মুক্তিযোদ্ধা।
মৌসুমের সেরা দল শেখ রাসেলকে হারিয়ে চমক দেখানো মোহামেডানের এটা ছিল টানা দ্বিতীয় হার। আগের ম্যাচে লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনীর বিপক্ষে ২-০ গোলে হারে কোচ সাইফুল বারী টিটুর দল। অন্যদিকে মুক্তিযোদ্ধার এটি ছিল টানা দ্বিতীয় জয়। আগের ম্যাচে তারা ২-১ গোলে হারিয়েছিল ফেনী সকার ক্লাবকে।
বড় জয়ের কারণ ব্যাখা করে মুক্তিযোদ্ধা কোচ মানিক বলেন,‘আমরা জায়ান্ট কিলার নই, জায়ান্ট। আগের ম্যাচগুলোতেও দল ভাল খেলেছে কিন্তু খেলোয়াড়রা সুযোগ কাজে লাগাতে না পারায় আমরা সেভাবে ফল পাইনি। আজকে ছেলেরা সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারায় বড় জয় সম্ভব হয়েছে। তবে দর্শকদের ব্যাপক সমর্থন খেলোয়াড়দের মূল অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।’
এ জয়ে সাত ম্যাচে চার জয় ও এক ড্র’য়ে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে তালিকায় যৌথভাবে দ্বিতীয়স্থানে উঠে এসেছে মুক্তিযোদ্ধা। সমান ম্যাচে তিন জয় ও এক ড্র’য়ে দশ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার পঞ্চমস্থানে মোহামেডান।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৪২ ঘণ্টা, ৫ জানুয়ারি, ২০১২
এএইচবি/এসএ