ঢাকা: রোববার সংসদে পাশ হওয়ার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সংশোধনী আইনের কড়া সমালোচনা করেছে জামায়াত। এই আইন পাশ করে সরকার দেশকে গভীর নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করে তারা।
রোববার রাতে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম খান এ আশঙ্কার কথা জানান।
রফিকুল ইসলাম খান দাবি করেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, বিভিন্ন আইনজীবীদের মতামত উপেক্ষা করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার দাপটে সরকার রোববার মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য ব্যক্তির পাশাপাশি দলের বিচারের উদ্দেশ্যে আইন সংশোধনের মাধ্যমে দেশকে এক ভয়াবহ নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, “মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচারের জন্য ১৯৭৩ সালের ক্রাইমস ট্রাইব্যুনাল এ্যাক্ট তৃতীয়বারের মতো সংশোধন করে সরকার তার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার এক জঘন্য নজির স্থাপন করল।”
রফিকুল ইসলাম তার বিবৃতি জানান, “আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামেনিস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ আইনটি সংশোধন না করার দাবি জানালেও সরকার এই আইন সংশোধন করে বিচার প্রক্রিয়াকে কলঙ্কিত করছে।”
সরকার কারো মতামতকে তোয়াক্কা না করে তাদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জামায়াত নেতাদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান নিশ্চিত করতে উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে এই আইন সংশোধন করেছে বলে মন্তব্য করেন রফিকুল ইসলাম খান ।
তিনি আরও বলেন, “এ আইন সংশোধনের মাধ্যমে সরকার বিচার বিভাগকে আরও বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।”
এ বিবৃতিতে সরকারের সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সোমবারের হরতাল সফল করার জন্য নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ০০৫৮ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৩
এনএম/সম্পাদনা: মীর সানজিদা আলম, নিউজরুম এডিটর