 |
ঢাকা: জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়াম দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারদের কাছে খুবই প্রিয়। ২০০৬ সালের ১২ মার্চ এই মাঠেই অস্ট্রেলিয়ার রেকর্ড ৪৩৪ রানের জবাবে এক উইকেটে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তাও একবল হাতে রেখে রেকর্ড ৪৩৮ রান তুলে পেয়েছিল ওই সাফল্য। সেই ওয়ান্ডারার্সে রোববার পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩৪৩ রান করে জয় পেল ৩৪ রানে।
দক্ষিণ আফ্রিকা: ৩৪৩/৫ (৫০ ওভার)
পাকিস্তান: ৩০৯ (৪৮.১ ওভার)
ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৪ রানে জয়ী
সিরিজ: দক্ষিণ আফ্রিকা ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে
পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতা নিয়ে তৃতীয় ওয়ানডে খেলতে নামে উভয় দল। টসে জিতে পাকিস্তান ফিল্ডিং নিলে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিক দল প্রথম উইকেট হারায় চার রানে। মোহাম্মদ ইরফানের বলে বোল্ডআউট হন গ্রায়েম স্মিথ (৩ রান)। ইনগ্রামও সঙ্গ দিতে পারেননি হাশিম আমলাকে। ৪৩ বল খেলে ১৭ রানে ইরফানের দ্বিতীয় শিকার হন তিনি। কিন্তু তৃতীয় উইকেটে আমলা ও এবিডি ভিলিয়ার্সের ২৩৮ রানের জুটি হয়। এই দুজন ৩০.২ ওভার ব্যাট করে ওই রান তোলেন ৭.৮৪ রানগড়ে। আমলা ১১৩ বলে নয়টি চার ও একটি ছয়ের মারে ১২২ রান করে ওহাব রিয়াজকে উইকেট দেন। এবিডি ভিলিয়ার্স আউট হন ১২৮ রানে। ১০৮ বলে ১২টি বাউন্ডারি ও তিনটি ওভার বাউন্ডারি দিয়ে নিজের ইনিংসটি সাজিয়েছেন তিনি। আরেক ব্যাটসম্যান ফাফ ডু প্লেসিস ১৯ বলে চারটি চার ও তিনটি ছয়ের মারে খেলেছেন ৪৫ রানের ঝড়ো ইনিংস। এই তিনটি ইনিংস মিলে পাঁচ উইকেটে ৩৪৩ রানের সংগ্রহ পায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
জবাব দিতে গিয়ে ১৩২ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য থেকে ছিটকে পড়ে সফরকারী পাকিস্তান। মোহাম্মদ হাফিজ ৫৭, কামরান আকমল ৩০ রান করে আউট হলেও শহীদ আফ্রিদি ৪৮ বলে ৮৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে পরাজয়ের ব্যবধান কমান। তার ওই ইনিংসের সঙ্গে ওহাব রিয়াজের ৪৫ রান মিলে ৪৮.১ ওভারে অল-আউটের আগে ৩০৯ রানের সংগ্রহ পায় পাকিস্তান।
তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার সোসোবে এবং রায়ান ম্যাকলারেনে। এছাড়া রবিন পিটারসেন দুটি এবং ক্লেইনভেলটেড একটি উইকেট নেন।
ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেয়েছেন স্বাগতিক দলের হাশিম আমলা ও অধিনায়ক এবিডি ভিলিয়ার্স।
এই জয়ে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা।
বাংলাদেশ সময়: ২৩৫০ ঘণ্টা, মার্চ ১৭, ২০১৩
এসএ