আগরতলা (ত্রিপুরা): রাজ্যে নির্বাচনের পর সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটতে শুরু করেছে। গত কয়েক দিন ধরেই অগ্নিসংযোগ, মারধর ও আক্রমণের ঘটনা ঘটছে।
অধিকাংশ ক্ষেত্রে অভিযোগের তীর নির্বাচনে বিজয়ী সিপিআই (এম)’র বিরুদ্ধে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কংগ্রেসের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছে।
রোববার সকালে উদয়পুরে বেশ কিছু ঘর বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে ছুটে গেছেন পুলিশ এবং অগ্নি নির্বাপক কর্মীরা। এবার উদয়পুরের রাধাকিশোরপুর আসন থেকে জয়ী হয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী। ১৯৭৭ সালের পর এবারই প্রথম এই আসনে হেরে যায় বামফ্রন্ট। গত কিছুদিন ধরেই এখানে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। রোববার সকালে তা চরম আকার নেয়। বেশ কিছু ঘর বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া হয়। আক্রমণ করা হয় সাধারণ মানুষদের। কংগ্রেস এ হামলার জন্য দায়ী বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। এদিকে এলাকায় ছুটে গেছেন সি পি আই (এম) নেতৃবৃন্দ।
তবে কৈলাশহরে নিজেদের দলীয় কর্মীরাই সি পি আই (এম) অফিসে ভাঙচুর চালিয়েছে। দলীয় অন্তর্ঘাতের কারণে এখানে সি পি আই (এম) প্রার্থী মবস্বর আলি অল্প ভোটে হেরে যান কংগ্রেসের বীরজিত সিনহার কাছে। এরপরই মবস্বর আলির সমর্থকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। আক্রমণ করেন দলীয় অফিসেই। ভাঙচুর চালান অফিসে। বাদ যায়নি কংগ্রেস অফিসও।
এদিকে আগরতলার কাছে লেফুঙ্গাতে রাজনৈতিক হিংসায় প্রাণ হারিয়েছেন এক যুবক। তিনি কংগ্রেস সমর্থক বলে জানা গেছে।
মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার এবং বামফ্রন্ট নেতৃবৃন্দের শান্তি বজায় রাখার আহ্বান কোন কোন জায়গায় কাজে আসছে না। রোখা যাচ্ছে না দলের তৃণমূল স্তরের কর্মী সমর্থকদের। তারা সহিংস হয়ে উঠছেন।
এদিকে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে তারা নির্বাচন উত্তর সন্ত্রস্ত পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হবেন।
বাংলাদেশ সময়: ১২৫৪ ঘণ্টা, মার্চ ০৩, ২০১৩
তন্ময়/সম্পাদনা: রাইসুল ইসলাম, নিউজরুম এডিটর