৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০, শনিবার মে ১৮, ২০১৩ ৪:২১ পিএম BDST banglanew24
23 Nov 2011   04:57:42 PM   Wednesday BdST
E-mail this

পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতায় প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতায় প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা
ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: পুঁজিবাজারে একটি স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বহুল আলোচিত প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে সিকিউরিটজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।

বুধবার বিকেল চারটায় এসইসি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্যাকেজ ঘোষণা করেন নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন এসইসি’র জ্যেষ্ঠ সদস্য হেলাল উদ্দিন নিজামী, সদস্য আমজাদ হোসেন, মো. আরিফ খান, আব্দুস সালাম সিকদার ও নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান।

এসইসি ঘোষিত এ প্রণোদনা প্যাকেজকে তিনটি ভাগে ভাগ করে উপস্থাপন করা হয়।

এর মধ্যে রয়েছে স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ, যা এখনই বাস্তবায়নযোগ্য বলে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন এসইসি চেয়ারম্যান।

এছাড়া মধ্যমেয়াদি পদক্ষেপ, যা আগামী তিন মাসের মধ্যে বাস্তবায়নযোগ্য বলে উল্লেখ্য করা হয়।

সবশেষ দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ, যা আগামী চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে বাস্তবায়নযোগ্য।

স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপগুলো হল-

স্বল্পমেয়াদি: এখনই বাস্তবায়নযোগ্য

১.    শেয়ার ব্যবসায় নিয়োজিত ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি কোম্পানির অনুকূলে ব্যাংক প্রদত্ত মূলধন ওই ব্যাংকের এক্সপোজার টু ক্যাপিটাল মার্কেট হিসেবে গণ্য হবে না।

২.    কোনও কোম্পানির শেয়ারে ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি ইকুইটি ইনভেস্টমেন্ট ওই ব্যাংকের ক্যাপিটাল মার্কেট এক্সপোজার হিসেবে গণ্য হবে না।

৩.    তিন বৈদেশিক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর ক্ষেত্রে বিদেশি ব্রোকারেজ ফার্মকে প্রদেয় কমিশন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অথবা দলিলাদি দাখিল সাপেক্ষে দ্রুত প্রেরণের অনুমতি প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফলে বিদেশি পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপকেরা আরও বেশি  বেশি তহবিল বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে উৎসাহিত হবেন।

৪.    বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক এবং অ-নিবাসী বাংলাদেশীদের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত লাভের ওপর আরোপিত ১০ শতাংশ ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে বাজারে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে এবং বিদেশি তহবিলের প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে।

৫.    পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ উদ্ভূত কোনও ক্ষতির জন্য প্রভিশন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে গেইন/লস নেট অফ করে প্রভিশন সংরক্ষণ করা যাবে। উল্লেখ্য, আগে শুধুমাত্র নেট লসকে বিবেচনায় নেওয়া হতো।

৬.    শেয়ার ব্যবসায় নিয়োজিত কোনও ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাবসিডিয়ারি কোম্পানির অনুকূলে প্রদত্ত ঋণ সিঙ্গেল ব্রোয়ার এক্সপোজার লিমিট অতিক্রম করে থাকলে সীমা অতিরিক্ত ঋণ সমন্বয়ের জন্য দুই বছর সময় পাবে (২০১৩ সালে ডিসেম্বর পর্যন্ত)।

৭.    মাননীয় অর্থমন্ত্রীর পরামর্শে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো আরও অধিক হারে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে সম্মত হয়েছে।

৮.    বীমা তহবিলের (লাইফ ও নন লাইফ) বিনিয়োগযোগ্য অর্থ অনতিবিলম্বে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য বীমা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহ সম্মত হয়েছে।

এছাড়া সরকার বীমা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।

৯.    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সমূহের উদ্যোক্তা-পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে ধারণকৃত শেয়ারের পরিমাণ অনেক ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত সীমার নীচে রয়েছে। পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতার স্বার্থে এসইসির কোম্পানি সমূহের উদ্যোক্তা-পরিচালকদের ওই সীমা সকল সময়ের জন্য ন্যূনতম ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

১০.    এতদিন পর্যন্ত পুঁজিবাজারে মার্চেন্ট ব্যাংক ও সাবসিডিয়ারি সমূহের তহবিলের ৯৯ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত সরবরাহ করতো প্যারেন্ট কোম্পানিসমূহ (ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ইনস্যুরেন্স কোম্পানি)। এখন থেকে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সর্বনিম্ন ৫১ শতাংশ প্যারেন্ট কোম্পানি থেকে এবং অবশিষ্ট অংশ অন্য যে কোনও তহবিল থেকে নিয়ে মার্চেন্ট ব্যাংক ও সাবসিডিয়ারিগুলো পুঁজি সংগ্রহ করতে পারবে। এতে মার্চেন্ট ব্যাংক ও সাবসিডিয়ারি সমূহের মূলধন বৃদ্ধি পাবে এবং তারল্য সংকট দীর্ঘমেয়াদে অবসান হবে।

তিন মাসের মধ্যে বাস্তবায়নযোগ্য মধ্যমেয়াদি পদক্ষেপ

গুঁজবনির্ভর ও নিউজ সেন্সেটিভ শেয়ারবাজারের পরিবর্তে একটি পূর্ণ সচেতন মূলধন বাজার তৈরির লক্ষ্যে এসইসি ইনভেস্টমেন্ট অ্যাডভাইজারি সার্ভিস উন্মুক্ত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

এতে প্রাতিষ্ঠানিক বা অপ্রাতিষ্ঠানিক নির্বিশেষে ব্রোকারেজ হাউজগুলো পেশাদার দক্ষ ও অভিজ্ঞ বিনিয়োগ ব্যবস্থাপক নিয়োগ দিতে বাধ্য হবে।

দ্বিতীয় – ইনভেস্টর, একাডেমিশিয়ান ও পলিসি মেকারদের অ্যাকসেস টু ইনভরমেশন নিশ্চিত করার জন্য এসইসি ইক্যুয়িটি রিসার্চ পাবলিকেশন উন্মুক্ত করবে।

তৃতীয়- পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিসমূহের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার  লক্ষ্যে কর্পোরেট গর্ভনেন্স গাইডলাইন তৈরি করা হবে।

চতুর্থ- মার্চেন্ট ব্যাংক ও সাবসিডিয়ারি কোম্পানিসমূহের নিজস্ব মূলধন বাড়ানোর জন্য এসইসি দ্রুত উপায় উদ্ভাবনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।


দীর্ঘমেয়াদি ৬ পদক্ষেপ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর হিসাব ও অডিটিং ডিসক্লোজারের গুণগত মানোন্নত করার জন্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদন আইন (এফআরএ) প্রণয়ন করা, এসইসির ইনসাডার ট্রেডিং আইন আরও গভীর ও কঠোর করা,  আমাদের দেশের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী রক্ষার্থে আইন, অনেক ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে উন্নত দেশগুলোর মতো এ আইন যুগোপযোগী করা, স্টক এক্সচেঞ্জ সমূহের কর্পোরেট গভর্নন্সে নিশ্চিত করতে আমাদের স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে দ্রুত ডিমিউচুয়ালিশ করা, মিউচ্যুয়াল ফান্ড সেক্টরকে আরও শক্তিশালী ও বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। উন্নত সার্ভিইল্যান্স সিস্টেম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এসইসি পুঁজিবাজারের তদারকি কার্যক্রম জোরদার করবে, যাতে বিনিয়োগকারীরা প্রতারিত না হন।

ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে বিশেষ স্কিম:

স্বল্প পুঁজি ও মার্জিণ ঋণ নিয়ে যে সকল ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের কারণে প্রকৃতই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য একটি বিশেষ স্কিম প্রণয়ন করা হয়েছে।

এ লক্ষ্যে আইসিবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়েকুজ্জামানকে আহ্বায়ক করে ৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হবে।

কমিটির অন্যান্য সদস্য যারা হবেন- অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের একজন প্রতিনিধি, এসইসি’র একজন প্রতিনিধি, সিডিবিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং দুই স্টক এক্সচেজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

কমিটি প্রয়োজনে অতিরিক্ত সদস্য যোগ করতে পারবে।

এ কমিটি আগামী দুই মাসের মধ্যে একটি পরিপূর্ণ প্রতিবেদন বিবেচনার জন্যে অর্থমন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভোগে জমা দিবে।

এসইসির চেয়ারম্যান খায়রুল হোসেনের বক্তব্য:

পুঁজিবাজার বিকাশে এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে আমরা দায়িত্ব নিয়েছি। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও শক্তিশালী পুঁজিবাজারের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমরা যোগদান করার পর এখন পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত ঘোষিত নীতি ও পুঁজিবাজার সংক্রান্ত আইনকানুনের বাইরে নেইনি। কোনও অন্যায় দাবি বা অনৈতিক চাপের মুখে কোনও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করিনি। সকল স্তরের স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বুক বিল্ডিং পদ্ধতি, প্রাইভেট প্লেসমেন্ট শেয়ার নীতিমালা থেকে শুরু করে রাইট ইস্যু রুল ইত্যাদি অনেক পরিবর্তন করেছি।

বাংলাদেশের পুঁজিবাজার যাতে শিল্প, জ্বালানি ও বিদ্যুৎসহ অবকাঠামো উন্নয়নে প্রয়োজনীয় তহবিলের একটি অন্যতম উতস হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সেজন্য আমাদের সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। যে কোনও সময়ের তুলনায় আমাদের পুঁজিবাজারের আকার অনেক বড়; তা বিনিয়োগকারীর সংখ্যা, তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা, বাজার মূলধন বা অন্য যে কোনও বিচারেই হোক। আমরা যোগদানের পরে গত জুলাই মাসে বিনিয়োগকারীদের মাঝে আস্থা ফিরে আসায় গড়ে প্রতিদিন দেড় হাজার কোটি টাকার মতো টার্নওভার হয়েছে। আমরা মনে করি, বাজারে স্থিতিশীলতা আনার জন্য সর্বপ্রথম প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদে আস্থাহীনতা দূর  করা। আর আস্থা নির্ভর করে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, তথ্যের সঠিকত্ব ও প্রাপ্তির মাত্রা, প্রয়োজনীয় তহবিলের সরবরাহ ইত্যাদির ওপর। আর এজন্য আমরা কয়েকটি বিষয়ে কাজ করছি। যেমন:

১.    সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন অর্ডিনেন্স ১৯৬৯ এর সংশোধনী।
২.    সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন ১৯৯৩ এর সংশোধনী।
৩.    প্রয়োজনীয় আইন-কানুন প্রণয়ন ও সঠিক প্রয়োগ।
৪.    মনিটরিং, সুপারভিশন, সার্ভিলেন্সি ও এনফোর্সমেন্ট ব্যবস্থা জোরদারকরণ।
৫.    প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা।
৬.    বাজার মূলধনে মিউচুয়াল ফান্ডের অংশগ্রহণ বাড়ানো।
৭.    ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে পেনশন ফান্ড, প্রভিডেন্ট ফান্ড ইত্যাদিকে বাজারে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা।
৮.    চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে পার্থক্য যাতে না হয়, এজন্য সময় মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করা। নতুন প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও)     বাজারে নিয়ে আসা।
৯.    নতুন নতুন পণ্য বাজারে নিয়ে আসা।
১০.    বিদেশি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা এবং একই সঙ্গে তাদের কার্যক্রম তদারকি করা।
১১.    বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তা উভয়ের জন্য লাভজনক পরিবেশ নিশ্চিত করা।

এরপর তিনি বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৮০৭ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৩, ২০১১

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Bookmark and Share
REVE Systems
VISA Center Inc
Holy Hajj BD
RehabHousing.com

অর্থনীতি

8877
Kaspersky Lab - Antivirus Software [ Bangladesh ]
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম | এডিটর-ইন-চিফ: আলমগীর হোসেন

ফোন: +৮৮০ ২ ৮৪০২১৮১, ৮৪০২১৮২ আই.পি. ফোন: +৮৮০-৯৬১২১২০০০০ নিউজ রুম সেল: +৮৮-০১৭২৯০৭৬৯৯৬, ০১৭২৯০৭৬৯৯৯ ফ্যাক্স: +৮৮০ ২ ৮৪০ ২৩৪৬
ইমেইল: news.bn24@gmail.com, editor.banglanews@gmail.com, editor@banglanews24.com    বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম    এডিটর-ইন-চিফ: আলমগীর হোসেন

বাংলায় লেখা হলে ইউনিকোডে পরিবর্তন করে ইমেইল করুন    কপিরাইট © 2013 সকল স্বত্ব ® সংরক্ষিত    একটি ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেড প্রতিষ্ঠান