 |
| ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
রাজশাহী/রাবি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) সংলগ্ন বিনোদপুর বাজারে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আগুন ও বঙ্গবন্ধু এবং শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করেছেন শিবিরের নেতাকর্মীরা।
এ ঘটনায় শিবির ও পুলিশের সংঘর্ষের সময় আ’লীগ নেতাসহ চার জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও তিন জন।
সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত থেমে-থেমে এ সংঘর্ষ চলে। এতে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
গুলিবিদ্ধ চার জন হলেন- রাজশাহী মহানগরীর ৩০ নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম শহিদ (৩৭), ৩০ নং ওয়ার্ড আ’লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য খলিল(২৮) মহানগর ছাত্রলীগের সহসভাপতি রাতুল আহমেদ (২২),আ’লীগ কর্মী ফাইজার (২১)।
আহতরা হলেন- ৩০ নং ওয়ার্ড যুবলীগ সদস্য এনামুল হক(২৭), খোরসেদ আলম (৫০) ও রাবির ইসলামী ইতিহাসের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র গোলাম মোস্তফা (২৬)।
গুলিবিদ্ধ ও আহতদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) আব্দুস সোবহান বাংলানিউজকে জানান, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শিবিরের নেতাকর্মীরা একটি ঝটিকা মিছিল বের করে। মিছিলটি বিনোদপুর বাজারে এলে মিছিলকারীরা স্থানীয় আ’লীগ কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
এ সময় কার্যালয়ের সামনে থাকা দুইটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও কার্যালয়ে থাকা বঙ্গবন্ধু এবং শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করেন শিবিরের নেতাকর্মীরা।
এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে শিবির কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল ছুঁড়ে মারলে দু্’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।
সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ টিয়ারশেল, রাবার বুলেট ও শটগানের ফাঁকা গুলি ছুড়লে মিছিলকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ আগুন নেভায়।
এদিকে, মিছিলকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যাওয়ার পর ফের এক জোট হয়ে রাত ৮টার দিকে পুলিশের ওপর আবার হামলা চালায়।
এভাবে চলে রাত ৯টা পর্যন্ত।
পরে সংঘর্ষ থেমে গেলেও জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের আটকের জন্য বিনোদপুর, কাটাখালী, মণ্ডলের মোড় এলাকায় অভিযান চালানো হচ্ছে।
এদিকে, বিনোদপুরে আ’লীগের কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার জের ধরে মহানরীর আলুপট্টি ও সোনাদিঘির মোড়ের ইসলামী ব্যাংকের এটিএম বুথ ভাঙচুর করেছেন আ’লীগের নেতাকর্মীরা।
বর্তমানে সার্বিক পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ২০২০ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৩
সম্পাদনা: প্রভাষ চৌধুরী, নিউজরুম এডিটর