 |
ঢাকা: পশ্চিম বঙ্গের মানুষের কাছে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন সাকিব আল হাসান। ওপারের কোন পত্রিকায় তার সাক্ষাৎকার ছাপা হলে গোগ্রাসে গেলেন পাঠক।
কিছু দিন আগে মনোজ তিওয়ারির সঙ্গে সাকিবকেও বছরের সেরা বাঙ্গালীর পুরস্কার দিয়েছে স্টার আনন্দ। আইপিএল খেলতে গিয়ে অনেক কিছুই পেয়েছেন বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার। তার এসব অর্জনের পেছনে ক্রিকেট।
কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে এ মৌসুমে ফাইনালসহ আটটি ম্যাচ খেলেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। তাতে বোলার সাকিবের সাফল্য বেশি। যে কয়টি ম্যাচ খেলেছেন তাতে একটি করে হলেও উইকেট আছে তার। সব মিলে ১২ উইকেট শিকার করেছেন। রানও একেবারে কম নয়, আট ম্যাচে সাত ইনিংসে ব্যাট করে ৯১ রান করেছেন। চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে ফাইনালে ১১ রানে অপরাজিত ছিলেন।
জাতীয় দলের সাবেক এ অধিনায়ক আগের মৌসুমে সাত ম্যাচ খেলে ১১ উইকেট শিকার করেছিলেন। এবার তার ইচ্ছে ছিলো প্রথম থেকে সবগুলো ম্যাচ খেলার। কিন্তু কলকাতায় অর্ধেকেরও বেশি ম্যাচে বসে থাকতে হয়েছে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারকে। পর পর দুটি হারের পর সাকিবকে একাদশে জায়গা করে দেয় তার দল কলকাতা। সৌভাগ্যের প্রতীক হয়ে খেলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন বাঁহাতি স্পিনার। তিন ম্যাচ খেলানোর পর তাকে আবারও একাদশ থেকে ছেটে ফেলা হয়।
পরে টানা আট ম্যাচে অতিরিক্ত তালিকায় ছিলেন। দ্বিতীয় লেগের শেষ তিনটিসহ কোয়ালিফায়ার এবং ফাইনালে খেলেছেন সাকিব। শেষ দুই ম্যাচে আশানুরূপ পারফরমেন্স দেখাতে পারেননি। যে আটটি ম্যাচ খেলেছেন তাতে দু’বার ম্যাচ সেরার পুরস্কারও পেয়েছেন।
কলকাতার খেলোয়াড়রা রোববার রাতের সুখি মানুষ। আইপিএলে তাদের দল প্রথম শিরোপা জিতেছে। ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলেন বাংলাদেশের এক ক্রিকেটার। শিরোপা জয়ের পর উচ্ছ্বাস চেপে রাখতে পারেননি সাকিব,‘আমি মনে করি না আজ ঘুমাতে পারবো। আমার দৃঢ় বিশ্বাস শাহরুখ পাগল হয়ে যাবে। জানি না সে কি করছে।’
বাংলাদেশ সময়: ০৪০৭ ঘণ্টা, মে ২৮, ২০১২
এসএ