৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০, বৃহস্পতিবার মে ২৩, ২০১৩ ১২:০৭ এএম BDST banglanew24
02 Jan 2013   12:54:14 PM   Wednesday BdST
E-mail this

১৭০ বছর পর পাস!


নিউজ ডেস্ক
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
১৭০ বছর পর পাস!

স্কুল তৈরির ১৭০ বছর পর এই প্রথম বার স্কুলের তিন ছাত্রছাত্রী মাধ্যমিক পাস করল। আর সেই আনন্দ উদযাপনে গত মঙ্গলবার সোহরা তথা চেরাপুঞ্জির মাওসমাই গ্রামে উৎসব করে সম্বর্ধনা দেওয়া হলো নজিরগড়া তিনজনকে।

১৮৪২ সালে মিশনারি রেভারেন্ড টমাস জোন্স আসেন সোহরা মালভূমিতে। তখনও বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত এখানেই হতো। ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল হাতে গোনা অল্প কয়েকটি উপজাতি জনগোষ্ঠি। শিক্ষার কোনো বালাই ছিলনা এই উপজাতি জনপদে।

এই অশিক্ষিত উপজাতি অঞ্চলে ওয়েলস এর মিশনারি জোন্স সেই বছরই মাওসমাইতে এক প্রাথমিক স্কুল গড়ে ইতিহাস রচনা করেন। কারণ সমগ্র খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া পাহাড়ে সেটিই প্রথম বিদ্যালয়। আর সেই বিদ্যালয়ের হাত ধরেই প্রথম রোমান হরফে খাসি ভাষা লিখিত চেহারা খুঁজে পায়।

মাওসমাই পর্যটকদের কাছে বিখ্যাত চুনাপাথরের গুহার জন্য। পর্যটকরা আসে যায় কিন্তু এই স্কুল দেখতে কেওই আগ্রহী হন না। এমন কী রাজ্য সরকারও। স্কুলটি দেখভাল করত মাওসমাই প্রেসবিটেরিয়ান গির্জা। ধীরে ধীরে পুরনো কাঠের কাঠামো বদলে সিমেন্টের দৃঢ়তা এসেছে স্কুল ভবনে। সব খরচই আসে গির্জার তহবিল থেকে।

২০০৬ সালে স্কুলটি উচ্চতর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। স্কুলের নামকরন হয় লারসিং খোংগউইর মেমোরিয়াল প্রেসবিটেরিয়ান সেকেন্ডারি স্কুল। লারসিং খোংগউইর ছিলেন প্রথম খাসি পাদ্রি। জোন্সের সঙ্গে ওয়েলস অবধি তিনি গিয়েছিলেন। স্কুল তৈরির পরে মাধ্যমিক পর্যায়ের মর্যাদা পেতে কেটে গিয়েছে ১৬৭টি বছর।

২০০৯ সালে মাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীত হওয়ার পরে এ বছর স্কুলের দশম শ্রেণির তিন ছাত্রছাত্রী এসএসএলসি পরীক্ষায় বসেছিলেন। ইতিহাস গড়া তিন জন পাইনডাপ শাবং, জেনিফার সিয়েমিয়ং ও সাবিত্রী কাশিয়ার---দ্বিতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

এই তিনজনকে সম্বর্ধনা দিতে আসেন মেঘালয়ের মুখ্যসচিব উইনস্টন মার্ক সিমোন পারিয়াত। অনুষ্ঠানে গির্জার পাদ্রিরা মুখ্যসচিবের কাছে স্কুলের উন্নতিসাধনের জন্য আবেদন জানান।

এলাকাবাসীর আবেদন, রাজ্যের প্রাচীনতম স্কুলগুলির একটি তথা খাসি-জয়ন্তীয়া পাহাড়ের প্রথম স্কুলের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনা করে সরকারের উচিত অবিলম্বে স্কুলটি অধিগ্রহণ করা। সরকারের তরফে অবশ্য এখনও কোনও আশ্বাস পাননি গির্জা তথা স্কুল কর্তৃপক্ষ। এখন পর্যন্ত স্কুলের শিক্ষকদের বেতনও গির্জাই দিচ্ছে।

সুত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা
বাংলাদেশ সময় : ০৮৪৩ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০২, ২০১৩
অমিয় দত্ত ভৌমিক/আরআর

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Bookmark and Share
REVE Systems
VISA Center Inc
Holy Hajj BD
RehabHousing.com

ফিচার

8877
Kaspersky Lab - Antivirus Software [ Bangladesh ]
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম | এডিটর-ইন-চিফ: আলমগীর হোসেন

ফোন: +৮৮০ ২ ৮৪০২১৮১, ৮৪০২১৮২ আই.পি. ফোন: +৮৮০-৯৬১২১২০০০০ নিউজ রুম সেল: +৮৮-০১৭২৯০৭৬৯৯৬, ০১৭২৯০৭৬৯৯৯ ফ্যাক্স: +৮৮০ ২ ৮৪০ ২৩৪৬
ইমেইল: news.bn24@gmail.com, editor.banglanews@gmail.com, editor@banglanews24.com    বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম    এডিটর-ইন-চিফ: আলমগীর হোসেন

বাংলায় লেখা হলে ইউনিকোডে পরিবর্তন করে ইমেইল করুন    কপিরাইট © 2013 সকল স্বত্ব ® সংরক্ষিত    একটি ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেড প্রতিষ্ঠান