 |
| ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
গণজাগরণ চত্বর থেকে: শিবিরের হামলায় নিহত অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান শাখার কর্মচারী জাফর মুন্সির মরদেহ শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চে আনা হচ্ছে সন্ধ্যায়।
বুধবার শিবির ক্যাডাররা অগ্রণী ব্যাংকের মতিঝিলের দিলকুশায় প্রধান শাখার লিফটম্যান মো. জাফর মুন্সির (৪৫) ওপর হামলা চালালে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে বিকেলে ভর্তি করা হয় ধানমন্ডির গ্রিনলাইফ হাসপাতালে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকালে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান শাখার এক কর্মকর্তা জানান, জাফরের লাশ ঢাকা মেডিকেলে ময়না তদন্ত শেষে দিলকুশায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে সন্ধ্যার দিকে সরাসরি শাহবাগে নিয়ে আসা হচ্ছে। সেখানে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে।
জাফরের বাড়ি ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার গঙ্গাদর্জি গ্রামে। তার বাবার নাম খোরশেদ আলী।
নিহতের বড় ভাই শাহাবুদ্দিন জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ব্যাংকের সামনে দাঁড়ানো অবস্থায় লোহার অ্যাঙ্গেল দিয়ে শিবিরের লোকেরা উপর্যুপরি মাথায় আঘাত করেন তাকে।
পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শাহাবুদ্দিন ও ব্যাংক কর্মকর্তারা তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করেন।
অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান শাখার কর্মকর্তারা জানান, শিবির ক্যাডাররা ব্যাংকের সামনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবিতে লাগানো ব্যানার ছিড়ে ফেলতে গেলে জাফর বাধা দেন। এ সময় তাকে ব্যাপক মারধর করেন জামায়াত-শিবিরের লোকজন। উপস্থিত জনতা সে সময় শিবিরের চারজনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছিলেন।
জাফরের চাচা একই ব্যাংকের কর্মচারী (জমাদার) তোতা মিয়া বাংলানিউজকে জানান, জাফরের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তিনি প্রায় এক বছর ধরে এই ব্যাংকে চাকরি করছিলেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৭৩৩ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৩
এমআইএইচ/আইএইচ/আরআর