 |
ঢাকা: বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল ও বাফুফে অ্যাকাডেমি কোচের দায়িত্ব নিতে ঢাকা এসেছেন নেদারল্যান্ডসের লোডউইক ডি ক্রুইফ ও তাঁর সহকারি রেনে কোস্টার।
সোমবার বিকালে ঢাকায পা রাখেন এই দুই ডাচ কোচ। বেলা সোয়া তিনটায় আসার কথা থাকলেও তাদের ফ্লাইটটি নির্ধারিত সময়ের ঘন্টা খানেক পরে অবতরণ করে। দীর্ঘ বিমান ভ্রমনের ক্লান্তি থাকলেও চনমনে মেজাজেই ছিলেন ড্রি ক্রুইফ। সংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন,‘আমি খুবই খুশী। যারা আমাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তাদের সঙ্গে কথা বলতে এখানে আসতে পারায় আমরা আনন্দিত। এখানে আসতে পেরে দারুণ ভাল লাগছে।’
ডি ক্রুইফ জানান, বাংলাদেশের ফুটবল সম্পর্কে তিনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে জেনেছেন। এখানকার ফুটবলের টুকটাকও খোঁজ-খবর রাখেন বলেও জানান এই ডাচ,‘এখন ইন্টারনেটের যুগ। সেখানে আপনি সবকিছুই খুঁজে পাবেন। আপনারা জানেন যে আমি নাইজেরিয়াতে কোচ ছিলাম। ঢাকার লিগে আমার তিন সাবেক খেলোয়াড়ও আছেন। তারা হলেন- শেখ জামালের চিনেদু ইজি মোরাহ, মোহামেডানের ড্যামিয়েন উদে চিগোজি এবং মুক্তিযোদ্ধার জোসেফ উজুরুম্বা। বাংলাদেশের ফুটবল উন্নয়নে অবদান রাখার উদ্দেশ্য নিয়েই আমরা এখানে এসেছি।’
ডি ক্রুইফের খেলোয়াড়ি জীবন শুরু নিজ দেশের ছোট ক্লাবের হয়ে। এছাড়া বেলজিয়াম ও জার্মানিতেও খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ডিফেন্ডার হলেও কোচিং হিসেবে আক্রমণাত্মক খেলাতে পছন্দ করেন তিনি। নিজের কোচিং দর্শনটা প্রকাশ করে ক্রুইফ বলেন,‘আমি গোঁড়া থেকে বিল্ড আপ করে অ্যাটাকিং ফুটবল পছন্দ করি। আক্রমণ রচনার শুরুটা হবে রক্ষণভাগ থেকেই। প্রতিপক্ষকে চাপে রাখা এবং দ্রুত বলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়াটায় আমার কাছে মুখ্য। আপনারা জানেন ডাচ ফুটবলে সবসময়েই তিনজন স্ট্রাইকার খেলানো হয়। যেটা দারুণ আকর্ষণীয় হয়, আমিও সেভাবেই আক্রমণভাগ সাজাতে চাই। কিন্তু আমি জানি না এখানে সেভাবে দল সাজাতে পারবো কিনা। প্রথমে খেলোয়াড়দের গুণাগুন এবং তাদের মানসিকতা বুঝে এরপর কৌশল নির্ধারণ করতে চাই।’
বাংলাদেশ সময়: ২০৪০ ঘণ্টা, ৭ জানুয়ারি, ২০১৩
এএইচবি/এফএইচএম