 |
লালমনিরহাট: লালমনিরহাটের আদিতমারীতে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টায় রেল লাইন উপড়ে ফেলে রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে জামায়াত-শিবির কর্মীরা।
স্থানীয়রা বাংলানিউজকে জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে লালমনিরহাট বুড়িমারী রেল লাইনের আদিতমারী উপজেলার রইচবাগ এলাকায় জামায়াত-শিবির কর্মীরা রেল লাইন উপড়ে ফেলে রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
ফলে লালমনিরহাট-বুড়িমারী লাইনে রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
রাজশাহী ডিভিশনাল রেলওয়ের ট্রাফক সার্জন সাজ্জাদ হোসেন রেল লাইন উপড়ে ফেলার ঘটনা স্বীকার করে বাংলানিউজকে জানিয়েছেন, শুক্রবার রেল লাইনটি ঠিক করা হবে।
অপরদিকে, সদর উপজেলার বড়বাড়ি এলাকায় বিকেল ৩টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত জামায়াত-শিবির কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষে ১০ পুলিশসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন, ডিএসবি ওয়াসার কনস্টেবল জাহাঙ্গীর আলম (৪৮), এএসআই আমিনুর রহমান(৪৫), কনষ্টেবল বাবলূ চন্দ্র(৩৫), সইদার রহমান(২৮), কনস্টেবল আরমান(৩০), কনস্টেবল দেলোয়ার রহমান(৩২), কনস্টেবল বিকাশ চন্দ্র(৩০), কনস্টবল আব্দুর রহমান(৪৫)। আহতদের লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বাংলানিউজকে জানান, রায় ঘোষণার পর পরই সদর উপজেলার বড়বাড়ী এলাকায় জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা লাঠিসোটা নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়ে এবং স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা অফিস ভাঙচুর করে।
এ সময় ওই স্থানে হরতালের ডিউটি পালনরত পুলিশের সঙ্গে শিবির কর্মীদের সংঘর্ষ বাঁধে। এক পর্যায়ে শিবির কর্মীরা পুলিশ সদস্যদের আহত করে অবরুদ্ধ করে রাখে।
পরে ঘটনাস্থলে বিজিবিসহ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে আহত পুলিশের ১০ সদস্যকে রাতে উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
লালমনিরহাট সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জমির উদ্দিন সরকার পুলিশ আহত হওয়ার ঘটনা স্বীকার করে জানান, আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসা চলছে।
লালমনিরহাট পুলিশ সুপার (এসপি) হাবিবুর রহমান বাংলানিউজকে জানিয়েছেন, এখন বড়বাড়ির পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ০০৩৫ ঘণ্টা, মার্চ ০১, ২০১৩
সম্পাদনা: সোহেলুর রহমান, নিউজরুম এডিটর