 |
| ছবি: মোশাররফ/ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
গণজাগরণ চত্বর থেকে: বুধবার ফাল্গুনের প্রথম দিন। প্রতিদিনের মতো এদিনও শাহবাগ মোহনায় জনস্রোত। বাঙালি তরুণ-তরুণীর ফাল্গুনের সাজে শামিল হয়েছে এখানে। অন্য সব দিনের চেয়ে আজকে তরুণ-তরুণীরা ভিন্ন সাজে সেজেছে। বাসন্তীরূপেই রাজাকারের ফাঁসি চায় তারা।
ফাল্গুনের প্রথম দিনে শাহবাগের গণজাগরণ চত্বরে নতুন এক ঘোষণা আসে। “ফাগুনের আগুনে রাজাকার পোড়াতে হবে”। ঘোষণায় আরো বলা হয়, ফাগুন আসে নতুন ফুলের বারতা নিয়ে। আর রাজাকাররা এই স্বাধীন দেশে বসবাস করছে নতুন ফুলকে ধ্বংস করার জন্য। নতুন ফুল ও রাজাকার এক সঙ্গে থাকতে পারে না।”
তাই গণজাগরণ চত্বরে তরুণ-তরণীদের উদ্দেশে ফাগুনের আগুনে সব রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীদের পুড়িয়ে দেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়।
বসন্তের প্রথম দিন শাহবাগের আন্দোলন এক অন্যরকম রূপ নিয়েছে। শরীরে বাসন্তী পোশাক হাতে হলুদ গাদা ফুল ও তরুণ-তরুণীদের মুখে ‘যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি চাই’ লেখা আলপনা।
বিশ্ব ভালোবাসা দিবসও যে শাহাবাগের মোহনায় একাকার হবে সেই বাতা আগে থেকে দিয়ে গেল একদল তরুণ-তরুণী।
সকাল সাড়ে ১১টায় এলিট মেহেদীর আয়োজনে বসন্ত উৎসব ও ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে শোভাযাত্রা বের হয়। এই শোভাযাত্রাও গণজাগরণ চত্বরে সংহতি প্রকাশ করে। শোভাযাত্রার আয়োজন করে ঢাকাবাসী সংগঠন ও বিশ্ব কলাকেন্দ্র।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকাবাসী সংগঠনের সভাপতি মো. শুকুর সালেক ও বিশ্ব কলাকেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রেজাউর রহমানসহ বিপুলসংখ্যক তরুণ-তরুণী।
যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে চলমান আন্দোলন, বুধবারের বসন্ত দিবস উদযাপন ও বৃহস্পতিবারের ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে তরুণ-তরুণীদের আনাগোনা বেড়েছে এখানে।
বাংলাদেশ সময়: ১৩৩৪ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৩
এমআইএস/আরআর