সংসদ ভবন থেকে: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামানত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মংলা বন্দরের ক্যাপিটাল ড্রেজিং প্রকল্প থেকে মালেয়েশিয়ান প্রতিষ্ঠান ইনাই কাইয়্যাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিতে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে।
সোমবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তরে এ তথ্য জানিয়েছেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। নূর আফরোজ আলীর টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান।
মন্ত্রী জানান, প্রতিষ্ঠানটিকে গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। বিধি অনুযায়ী শতকরা ১০ ভাগ হিসাবে দুই কোটি ৮০ লাখ টাকা জামানত জমা দেওয়ার জন্য কোম্পানিকে অনুরোধ করা হয়।
বার বার সময় বৃদ্ধি করা হলেও কোম্পানিটি জামানতের টাকা দেয়নি। সর্বশেষ সময় বাড়ানোর মেয়াদ গত ২০ জানুয়ারিতেও তারা টাকা দিতে ব্যর্থ হয়। ফলে ব্যাংক গ্যারান্টি বাজেয়াপ্ত করার জন্য বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পিপিআর অনুযায়ী দ্বিতীয় সর্বনি¤œ দরদাতাদের মাধ্যমে ড্রেজিং শেষ করার জন্য যোগাযোগ করা হচ্ছে। শিগগিরই এসব জটিলতা শেষ করে প্রকল্পের কাজ শেষ করা যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন শাজাহান খান।
প্রসঙ্গত, মংলা বন্দরের পশুর নদীর হারবার এলাকার ছয়টি পয়েন্টে ১৩ কিলোমিটার ড্রেজিংয়ের এ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১২৬ কোটি ৫১ লাখ টাকা। আন্তর্জাতিক দরপত্রে সর্বনি¤œ দরদাতা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয় মালেয়েশিয়ান ওই কোম্পানি। মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ইনাই কাইয়্যার পক্ষে দুই কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যাংক গ্যারান্টি দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছে।
সুকুমার রঞ্জন ঘোষের প্রশ্নের জবাবে শাজাহান খান জানান, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এ পর্যন্ত ২০১ কিলোমিটার নদী পুনঃখনন বা ড্রেজিং করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৮১২ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৩
এসএইচ/সম্পাদনা: আসিফ আজিজ, নিউজরুম এডিটর, সুকুমার সরকার, কো-অর্ডিনেশন এডিটর