 |
| ছবি: সবিতা রহমান/বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
ঢাকা: টাঙ্গাইলে নির্যাতিত ছাত্রীটি বর্তমানে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান।
সোমবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে এসে মেয়েটির খোঁজ-খবর নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের ড. মিজানুর রহমান বলেন, ‘‘বলার ভাষা আমার নেই!’’
তবে তিনি বলেন, ‘‘ছাত্রীটি মানসিক ভারসাম্যহীনভাবে জীবন-যাপন করছে।’’
ঘুমিয়ে থাকার কারণে কিশোরীটির সঙ্গে তার কথা হয়নি উল্লেখ করে তিনি জানান, ‘মেয়েটির জ্বর এসেছে।‘
মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘মেয়েটির মা আমাকে দুটো বাক্য বলেছেন। তা হলো- আল্লাহর ভরসায় ফেলে রাখলে বিচার হয় না। মানুষের বিচার মানুষকেই করতে হবে। এখন বিচার বিভাগের নড়েচড়ে বসার সময় এসেছে।’’
তিনি বলেন, ‘‘দরিদ্র মানুষের বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা আছে। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়, একথা মুখে নয়, কার্যকর করতে হবে।’’
সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ হচ্ছে না। অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে।’’
৫টার দিকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তিনি আরও জানান, ‘মেয়েটি আজ তার মায়ের সঙ্গে কথা বলেছে। সে বাড়ি ফিরে যেতে চায়।‘
উল্লেখ্য, কিশোরীটির বান্ধবী বীথি বিয়ের দাওয়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে গত ৭ ডিসেম্বর শুক্রবার টাঙ্গাইল জেলার মধুপুরের পাহাড়ি এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যায়।
সেখানে আগে থেকেই মধুপুরের সুপ্তি কম্পিটারের কর্মচারী রুবেল ও তার বন্ধু হারুনসহ ৫/৬ জন যুবক অবস্থান করছিল।
পরে তারা ৩ দিন আটকে রেখে কিশোরীটিকে গণধর্ষণ করে ১০ ডিসেম্বর মধুপুর সদর উপজেলার রসুলপুর এলাকায় রেললাইনের ওপর ফেলে রাখে।
এরপর সেখান থেকে অবচেতন অবস্থায় রেললাইন থেকে তাকে উদ্ধার করে এলাকাবাসী।
বাংলাদেশ সময়: ১৮২৪ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০৭, ২০১৩
এজেডএস/ সম্পাদনা: সোহেলুর রহমান, নিউজরুম এডিটর, আশিস বিশ্বাস, অ্যাসিস্ট্যান্ট আউটপুট এডিটর, জুয়েল মাজহার কনসালট্যান্ট এডিটর