 |
দশমিনা (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর দশমিনায় গ্রাম্য মাতব্বররা এক সন্তানের জননী গৃহবধূর সম্ভ্রমের মূল্য নির্ধারণ করেছেন মাত্র ৫ হাজার টাকা।
ওই গৃহবধূ মামলা করার জন্য আইনজীবীর চেম্বারে গেলেও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত দফাদার শাহ আলম তা করতে দেননি। তিনি মামলার দরখাস্ত ছিঁড়ে ফেলেছেন।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, সোমবার দিনগত রাতে উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের শাহের তালুক গ্রামের এক সন্তানের জননীকে ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণ করে একই এলাকার সেরাজ খানের ছেলে শহিদুল খান।
ঢাকায় বসবাসকারী গৃহবধূর স্বামী ঘটনা জেনে গ্রামে এসে মামলা করার জন্য আইনজীবীর কাছে যান। কিন্তু স্থানীয় দফাদার শাহ আলম ধর্ষিত ওই গৃহবধূ ও তার স্বামীকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে মামলার দরখাস্ত ছিঁড়ে ফেলেন। তাদের সালিশ করার কথা বলে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন তিনি।
মঙ্গলবার রাতে শাহের তালুকের সাবেক ইউপি মেম্বর ছালাম হাওলাদার ও দফাদার শাহ আলমের নেতৃত্বে সালিশ বৈঠকে ধর্ষক শহিদুল খানকে ১০ জুতা ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দফাদার শাহ আলম বাংলানিউজকে বলেন, ‘স্থানীয়ভাবেই সালিশ বৈঠকে বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে।‘
তবে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান জানান, ঘটনাটি তিনি জানেন না। তবে খোঁজখবর নিয়ে দেখবেন।
এ প্রসঙ্গে দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোবারক আলী বাংলানিউজকে জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৪৪৫ ঘণ্টা, মে ৩১, ২০১২
প্রতিবেদন- রিপন কর্মকার, সম্পাদনা: রোকনুল ইসলাম কাফী, নিউজরুম এডিটর, আশিস বিশ্বাস, অ্যাসিস্ট্যান্ট আউটপুট এডিটর