 |
জাবি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মওলানা ভাসানী ও শহীদ রফিক জব্বার হলে তল্লাশি চালিয়ে ৬ রাউন্ড গুলিসহ একটি পিস্তল ও বিপুল পরিমাণ রড, লোহার পাইপ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে ৩ ছাত্রলীগ কর্মীকে।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো.আনোয়ার হোসেন দাবি করেছেন আটককৃতরা ছাত্রলীগের কেউ নয়, তারা ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশকারী।
আটককৃতরা অবশ্য নিজেদের ছাত্রলীগের কর্মী বলে দাবি করেছেন। পাশাপাশি ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তাদের অংশ নিতে দেখা যায় বলে জানা গেছে। এছাড়া সাংবাদিক মারধরের ঘটনায় তাদের একজনকে ইতিপূর্বে বহিষ্কারও করা হয়েছিলো।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সোমবার ভোর সাড়ে ৬টা থেকে শহীদ রফিক জব্বার হল ও সাড়ে ৭টা থেকে মওলানা ভাসানী হলে তল্লাশি শুরু হয়। তল্লাশি করে মওলানা ভাসানী হলের ১০৮ নম্বর কক্ষ থেকে ৬ রাউন্ড গুলিসহ একটি নাইন এমএম পিস্তল উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় ঐ কক্ষে থাকা ছাত্রলীগ কর্মী বোরহান উদ্দিন ইমনকে (৩৮তম ব্যাচ, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ) আটক করা হয়। পরে তার তথ্যে ভিত্তিতে একই হলের ছাত্রলীগ কর্মী মো. মোর্শেদুর রহমানকে (৩৮তম ব্যাচ, ইংরেজি বিভাগ) আটক করে পুলিশ। এদের মধ্যে বোরহান উদ্দিন ইমন পুলিশকে বলেন, পিস্তলটি মোর্শেদুর রহমানের।
অপরদিকে শহীদ রফিক জব্বার হলের ছাত্রলীগ কর্মী মো. মাজেদুর রহমান সীমান্তর (৪০তম ব্যাচ, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ) কক্ষ থেকে রামদাসহ দেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। তাকেও আটক করে পুলিশ। সীমান্ত সাংবাদিক মারধোরের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার হয়েছিলেন।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ বদরুল আলম বলেন, দুই হল তল্লাশি করে ৬ রাউন্ড গুলিসহ একটি বিদেশী পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জাবি ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক রাসেল মাহমুদ বলেন, “যাদের আটক করা হয়েছে তারা ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশকারী। বিভিন্ন সময়ে এসব অনুপ্রবেশকারীদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য সংগঠনকে বিব্রত হতে হয়েছে।”
উল্লেখ্য, রোববার রাতে বাকবিতণ্ডার জের ধরে মওলানা ভাসানী হল ও শহীদ রফিক জব্বার হলের ছাত্রলীগের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় প্রায় ৯ জন আহত হয়।
বাংলাদেশ সময়: ১০৫৭ ঘণ্টা, মার্চ ১৮, ২০১৩
ওয়ালিউল্লাহ/ সম্পাদনা: হাসান শাহরিয়ার হৃদয়, নিউজরুম এডিটর/আরআই