20130107092351.jpg) |
| ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
নোয়াখালী: দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর অবশেষে মঙ্গলবার নোয়াখালী আসছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যে দলমত নির্বিশেষে নোয়াখালীবাসী প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে সব প্রস্তুতি সম্পন্য করেছে। নোয়াখালীকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘোষণাসহ ১২টি দাবি উপস্থাপন করবেন বলে জানা গেছে।
সোমবার বিকেল পর্যন্ত সভাস্থলের সব কাজ শেষ হয়েছে। ইতোমধ্যে জেলার সব মানুষ উন্নয়নের স্বার্থে একাত্মতা ঘোষণা করেছে।
সবার কণ্ঠে একটি বাক্য, ‘‘উন্নয়ন চাই, উন্নয়নে কোনো দল নাই’’। নোয়াখালীবাসী প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি দাওয়া নিয়ে প্রস্তুত। তবে, তাদের প্রধান দাবি নোয়াখালীকে ‘বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল’ ঘোষণা।
ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে নোয়াখালীকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঘোষণা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী এখন এটির উদ্বোধন করবেন। বাংলাদেশের ৫ম এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘোষণা হলে নোয়াখালীর মানুষের প্রাণের দাবি, উন্নয়নের দাবি সব পূরণ হবে বলে এলাকাবাসী জানান।
সোমবার দুপুরে সভা মাঠ পরিদর্শনে এসে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও জেলাবাসীর সঙ্গে সুর মিলিয়ে বলেন, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রধানমন্ত্রীর মুখ দিয়ে ঘোষণা ও এ সরকারের মেয়াদে যতটুকু সম্ভব বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবে।
এর আগে রোববার সভা মাঠে এক সংবাদ সম্মেলনে নোয়াখালী-৪ আসনের সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর কাছে জেলাবাসীর পক্ষ থেকে ১২টি দাবি উত্থাপন করেন।
দাবিগুলোর মধ্যে প্রধান দাবি হলো, ‘বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’। বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘোষণা হলে সব দাবি পূরণ হয়ে যাবে বলেও তিনি সভায় জানান।
অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে, নোয়াখালী খাল পুন:খনন, নোয়াখালীতে একটি ক্যাডেট কলেজ স্থাপন, নোয়াখালী পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা, নোয়াখালী সরকারি কলেজকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণা, চৌমুহনী থেকে সোনাপুর পর্যন্ত রেল লাইনের পাশে একটি নতুন বিকল্প সড়ক নির্মাণ, সোনাপুর-চেয়ারম্যানঘাট পর্যন্ত রেল লাইন বর্ধিতকরণ, নোয়াখালী শহরের চান্দিনা ভিটি স্থায়ী বন্দোবস্ত ও মূল্য পুন:নির্ধারণ, সন্দীপ-কোম্পানীগঞ্জ ক্রস-ডেম নির্মাণ।
এরই মধ্যে এসব দাবি সম্বলিত বিভিন্ন পোস্টার, ব্যানারে চেয়ে গেছে সভাস্থল।
বাংলাদেশ সময়: ২২০৫ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০৭, ২০১৩
সম্পাদনা: শামীম হোসেন, নিউজরুম এডিটর