 |
কক্সবাজার: কক্সবাজারে ১৫ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডবের ঘটনায় চিহ্নিত ২২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অর্থ ও অস্ত্র যোগান দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ।
রোববার বিকেল ৪টায় কক্সবাজার শহরের একটি আবাসিক হোটেলের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ আনা হয়।
সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আহমদ হোসেন গত ১৫ ফেব্রুয়ারি জামায়াতের তাণ্ডবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, ‘ইসলাম ধর্মের পবিত্র স্থান মসজিদকে ব্যবহার করে এ নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হয়েছে।’
তিনি রাজনৈতিক স্বার্থে, দেশদ্রোহীমূলক কর্মকাণ্ডে মসজিদকে ব্যবহার করতে না দেওয়ার জন্য মসজিদ পরিচালনা কমিটি, সংশ্লিষ্ট ইমাম এবং খতিবদের কাছে অনুরোধ জানান।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘শুক্রবার জুমার নামাজের পর কক্সবাজারে সংঘটিত তাণ্ডবের ঘটনাটি ছিল পরিকল্পিত। এ পরিকল্পনায় মিশন গ্রুপ, কেয়ারী, আল ফুয়াদ হাসপাতাল, ইসলামী ব্যাংকসহ ২২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অর্থ এবং অস্ত্র সরবরাহ করেছে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ও কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ থেকে রোহিঙ্গাদের ভাড়া করে কক্সবাজার শহরে আনা হয়। এমনকি কয়েকটি মাদ্রাসার ছাত্রদের পিকনিকের কথা বলে আনা হয় শহরে। আগে থেকে কক্সবাজার শহরে জড়ো করে পরিকল্পিতভাবে তাণ্ডব চালানো হয়।’
তিনি নিহত ৩ জন সাধারণ পথচারী উল্লেখ করে তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং নিহতদের পরিবারকে সাহায্য করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে ১৪ দলের নেতারা বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রতিহত করতে এ নৈরাজ্য।’
সংবাদ সম্মেলনে শনিবার ও রোববারের হরতাল জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে উল্লেখ্য করে সোমবারের হরতাল প্রতিহত করতে মাঠে থাকার ঘোষাণা দেন তারা।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন আহমদ সিআইপি, আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম চৌধুরী, নুরুল ইসলাম, নুরুল আবছার, মোহাম্মদ হোসাইন, মুজিবুর রহমান, জাসদ নেতা মোহাম্মদ হোসেন মাসু ও যুবলীগ নেতা খোরশেদ আলম।
বাংলাদেশ সময়: ২১০৭ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৩
সম্পাদনা: শিমুল সুলতানা, নিউজরুম এডিটর
মতামত জানাতে ইমেইল করুন: eic@banglanews24.com