 |
ঢাকা: রাষ্ট্রায়ত্ব অগ্রণী ব্যাংকের ঋণ আদায় ও তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে এ ব্যাপারে কঠোরভাবে সর্তক করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সোমবার বেলা ৩টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান সভাপতিত্ব করেন।
রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমঝোতা চুক্তির (এমওইউ) আওতায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অগ্রণী ব্যাংকের পক্ষে এর প্রধান নির্বাহী সৈয়দ আব্দুল হামিদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র জানায়, সোমবারের বৈঠকে এমওইউ’র আওতায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী খেলাপি ঋণ কমানো, ঋণ আদায় বাড়ানো, ঋণ প্রবাহ আমানতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা, লোকসানি শাখা কমানো, ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি করে দেওয়া হয়েছে।
এসব ক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে নতুন বছরের এমওইউ করবে না মর্মেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষে অগ্রণী ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেওয়া হয়।
এদিকে, রাষ্ট্রায়ত্ব সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের পরিচালনা ব্যয়, মূলধন পর্যাপ্ততা, খেলাপি ঋণ আদায়, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, লোকসানি শাখা কমানোসহ সার্বিক উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে প্রতি বছর এমওইউ সই হয়ে থাকে।
ব্যাংকগুলোকে সুনির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়। লক্ষ্যমাত্রার আলোকে প্রতি তিন মাসের অগ্রগতির বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসব ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করে।
আগে সবক’টি ব্যাংকের সঙ্গে একত্রে বৈঠক অনুষ্ঠিত হতো। এবারই প্রথম আলাদা আলাদা করে এ বৈঠক করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সূত্র মতে, রোববার জনতা ব্যাংকের সঙ্গে, সোমবার অগ্রণী ব্যাংকের সঙ্গে এবং মঙ্গলবার রূপলী ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক হবে। এর আগে ৩ জানুয়ারি সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সূত্র জানায়, অগ্রণী ব্যাংকের খেলাপী ঋণ ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। যা মোট ঋণের প্রায় ১৫ শতাংশের ওপরে। অথচ এমওইউ’র আলোকে তা ৫ শতাংশে রাখার কথা।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৪২ ঘণ্টা, নভেম্বর ০৭, ২০১৩
এসএআর/ সম্পাদনা: জয়নাল আবেদীন, নিউজরুম এডিটর ও অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর- eic@banglanews24.com