 |
ঢাকা: পরিকল্পনাকারী হিসেবে জাতীয় ক্রিকেট একাডেমির ম্যানেজার রিচার্ড ম্যাকিন্সের সুখ্যাতি আছে। তিনি যখন হাইপারফরমেন্সের কোচ ছিলেন, তখনও তার পরিকল্পনায় বিসিবি দারুণ উপকার পেয়েছে। এবারও ম্যাকিন্স একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছেন, যাকে ভিশন-২০১৪ বলা যেতে পারে। শনিবার একাডেমি ভবনে তিনি তার পরিকল্পনা তুলে ধরেন বিসিবির বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানদের সামনে।
একাডেমি ম্যানেজারের পরিকল্পনা পছন্দও হয়েছে বিসিবি কর্মকর্তাদের। গেম ডেভলপমেন্টের চেয়ারম্যান গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর মতে,‘প্রত্যেক ক্রিকেট বোর্ডের একটি ভিশন থাকে। ভিন্ন ভিন্ন দেশের ক্রিকেট ভিশন এবং বিসিবি কী করতে পারে এমন একটি প্রকল্প উপস্থাপন করেছেন ম্যাকিন্স। সেগুলো থেকে বিসিবি কীভাবে উপকৃত হতে পারে সেটা মূল্যায়ন করা হবে। যেমন ম্যাকিন্স তুলে ধরেছেন, ২০১৪ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে আমরা কীভাবে এগোতে পারি, এখানে সেটাই গুরুত্ব পেয়েছে। এছাড়া জাতীয় দল না থাকলে একাডেমিকে কতোটা ভালোভাবে কাজে লাগানো যায়, সেসব পরিকল্পনাও দিয়েছেন ম্যাকিন্স।
এদিকে ম্যাকিন্সের প্রকল্পে আইসিসির উন্নয়ন তহবিল থেকে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার বিষয়েও ব্রিফিংয়ে তুলে ধরেন ম্যাকিন্স। এ নিয়ে লিপু বলেন,‘জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং নিউজিল্যান্ড এই ফান্ডের সুবিধা নিচ্ছে। আমরাও এই সুবিধা নিয়ে সহযোগী দেশগুলোর সঙ্গে নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজকে রেখে সিরিজ আয়োজন করতে পারি। এতে এফটিপিতে যে ঘাটতি আছে তা কমে আসবে।’
আইসিসির উন্নয়ন তহবিল থেকে বছরে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ ডলার পেতে পারে বিসিবি। তবে এই টাকা কেবল আইসিসির সহযোগী দেশ আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস এবং স্কটল্যান্ডের মতো দেশগুলোর বিপক্ষে সিরিজ আয়োজনে খরচ করতে পারবে। এমনকি জাতীয় দলকে সহযোগী দেশের সঙ্গে তিনদিনের ম্যাচও খেলতে হবে।
আর এটাকে উভয় দলের জন্য লাভজনক মনে করেন বিসিবি মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস,‘এখানে ফান্ড নিলে সহযোগী দেশের সঙ্গে সিরিজ খেলা বাধ্যতামূলক। কিন্তু যে যে সিরিজ আমরা করব সেগুলোর জন্য ফান্ড পাব। ২০১৪ সালে আমাদের এখানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থাকায় আয়ারল্যান্ডও এখানে খেলতে চাচ্ছে। অতএব দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হলে খারাপ কী?’
বাংলাদেশ সময়: ২০৩১ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৫, ২০১২
এসএ/এফএইচএম