 |
খুলনা: জিততে জিততেও হেরে গেলে রংপুর রাইডার্স। খুলনা রয়েল বেঙ্গলসের কাছে ৯ রানে হেরেছে দলটি। পাঁচ ম্যাচে খুলনার এটি টানা দ্বিতীয় জয়। খেলা শেষ করে দর্শকদের কাছে ছুটে গেলেন খুলনার খেলোয়াড়রা। শাহরিয়ার নাফীসের নেতৃত্বে মাঠ প্রদক্ষিণ করলেন সবাই। দর্শকদের খুশি করেই ফিরে যাচ্ছে দলটি।
খুলনা রয়েল বেঙ্গলস: ১৫০/৭ (২০ ওভার)
রংপুর রাইডার্স: ১৪১/৭ (২০ ওভার)
ফল: খুলনা রয়েল বেঙ্গলস ৯ রানে জয়ী
টসে জিতে ব্যাটিংয়ে প্রথম দিকে মুড়িমুড়কির মতো উইকেট হারাতে থাকে খুলনা রয়েল বেঙ্গলস। কিন্তু শাহরিয়ার নাফীসের হাফ সেঞ্চুরি, ড্যানিয়েল হ্যারিসের ৪৮ ও ফরহাদ রেজার ২৪ রানে বড় স্কোরই পেয়েছে দলটি।
২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়েও বিচলিত হননি শাহরিয়ার। দায়িত্বশীল ব্যাটিং দিয়ে নেতার মতোই খেললেন, ৫০ বলে করেন ৫৩ রান। বৃহস্পতিবার বরিশাল বার্নার্সের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি পাওয়া এই ব্যাটসম্যান ধারাবাহিকতা রাখলেন হাফ সেঞ্চুরিতে।
গত ম্যাচে হার না মানা ৮৯ রান করা লু ভিনসেন্ট এদিন ২ রানে উইকেট দিলেন এডওয়ার্ডসে। রিকি ওয়াসেলসের কাছ থেকেও সঙ্গ পেলেন না অধিনায়ক। ওয়েসেলস ব্যক্তিগত ৯ রানে এলবিডব্লু হন দিমিত্রি মাসকারেনহাসের বলে। পরের বলেই ট্রাভিস বার্টের উইকেট নিলেন। নাজিমউদ্দিনকে ক্রিজ ছাড়া করেন পেসার মোহাম্মদ শরিফ। ৫.৪ ওভারেই টালমাটাল অবস্থা ছিল খুলনার। কিন্তু নাফীস এবং ড্যানিয়েল হ্যারিসের ৭০ রানের জুটি ঘুড়ে দাঁড়াতে সাহায্য করে।
ষষ্ঠ উইকেটে হ্যারিস ও ফরহাদের ৪৩ রানের জুটি হলে লড়াইয়ের পুঁজি পেয়ে যায় খুলনা। ফরহাদ ১২ বলে এক চার ২ ছয়ে ২৪ রান করেন। অরাজিত হ্যারিস ৪১ বলে ৪৮ রান করেন। খুলনা ২০ ওভারে ৭ উইকেটে করে ১৫০ রান। রংপুরের ফরহাদ ও মাসকারেনহাস তিনটি করে উইকেট নেন। একটি উইকেট নিয়েছেন এডওয়ার্ডস।
লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে খুলনার মতো ব্যাটিংয়ে রংপুরের শুরুটাও ভালো হয়নি। ১৫ রানে তিন ব্যাটসম্যানকে হারায়, ইমরুল কায়েস, টানা দুই ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরিয়ান শামসুর রহমান, ও’ব্রায়নকে আউট করে চাপে ফেলে রংপুরকে। কিন্তু নাসির হোসেন ও মাসকারেনহাসের জুটিতে কিছু রান হয়। ১২ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ৬৮ রান হয় নাসিরদের। ১২ ওভারের খুলনাও ৪ উইকেটে ৬৮ রান করেছিল।
১২.৫ ওভারে লং অনে ক্যাচ হয়েছিলেন মাসকারেনহাস। কিন্তু ৩০ গজের ভেতরে একজন ফিল্ডার কম থাকায় নো-বল ডাকা হয়। কিন্তু তিনি বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। ১৬তম ওভারের শেষ বলে সানজামুল ইসলাম বোল্ড আউট করেন মাসকারেনহাসকে। ১১ বলে ১৯ রান করেন তিনি। একমাত্র নাসির হোসেন শেষপর্যন্ত ইনিংসটাকে টানলেন। ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত টিকে থেকে ৭০ রান করেন নাসির।
বাংলাদেশ সময়: ২০০১ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৫, ২০১৩
এসএ