শাহবাগে প্রজন্ম চত্বর থেকে: ‘টিভিতে খেলা দেখছিলাম। তার মাঝে খবরে দেখলাম শাহবাগে অনেক মানুষ আন্দোলন করছে। আব্বাকে জিজ্ঞাসা করতেই বলল ‘যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে আন্দোলন চলছে। তখনই ভেবেছি এখানে আসবই। এরপর সময় করে গতকালই চলে এসেছি।’
শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরের আন্দোলনে যোগ দিতে সাভার থেকে ছুটে আসা মাসুদ শিকদার সোমবার রাতে বলছিল কথাগুলো। সাভার রুস্তমপুর হাইস্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র।
মাসুদ বলছিল, ‘শাহবাগে আসার কথা শুনে প্রথম দিকে আব্বা বলেছিল ওখানে গেলে তুমি হারিয়ে যাবে। কিন্তু পরে আর বাধা দেননি তিনি। আমার তেমন গুরুত্বপূর্ণ কোন ক্লাসও নেই। এজন্য সোমবার দুপুরেই চলে এসেছি।
মাসুদ জানায়, আমি জীবনে কথনো স্লোগান দেইনি। তবে এখানে আসার পর থেকে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে একটানা স্লোগান দিচ্ছি। অন্য রকম করে কেটে গেছে সারাদিন। বুঝতেই পারিনি।
তবে কিছুটা ক্লান্ত মাসুদ জানায়, তিন চারদিন থাকার মত কাপড় আর পড়ার বই সঙ্গে নিয়েই এখানে এসেছে সে।
বাবার নিকট থেকে ৫০০ টাকা আর ব্যাগ ভর্তি কাপড়, বই নিয়ে শাহবাগে হাজির হওয়া মাসুদ আরো জানায়, কোন বন্ধু ছাড়াই এখানে চলে আসা। প্রথম প্রথম একটু বিচ্ছিন্ন আর একা লাগলেও কখন যে এই গণ মিছিলে মিশে গেছে তা বোঝা যায়নি।
মাসুদ বলে, ‘‘বইয়ে রাজাকারদের কথা পড়েছি। তবে শাহবাগের স্লোগানের সঙ্গে আমিও একমত। রাজাকারদের অনেক বড় শাস্তি হওয়া উচিত।’’
বাংলাদেশ সময়: ০৭২৬ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৩
জেপি/সম্পাদনা: নূরনবী সিদ্দিক সুইন, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর