ঢাকা: একমাস ধরে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। বাইরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রহরা, বের হলেই গ্রেফতার করা হবে এমন শঙ্কা থেকেই ভেতরে স্বেচ্ছায় অবরুদ্ধ তিনি।
আর কতদিন তিনি অবরুদ্ধ থাকবেন তা তিনি নিজেও জানেননা। তবে অবরুদ্ধ অবস্থায়ও ব্যস্ত রয়েছেন দপ্তরের দায়িত্বে।
গত বছরের ৮ই ডিসেম্বর শনিবার সকালে নাশতা সেরে নয়াপল্টন কার্যালয়ে গিয়েছিলেন রিজভী আহমেদ। পরদিন ৯ই ডিসেম্বর ছিল ১৮ দলের রাজপথ অবরোধ কর্মসূচি। পরদিন মির্জা আলমগীর ও রিজভী আহমেদসহ শ’ শ’ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় কয়েকটি মামলা। সেদিন সকালে কার্যালয়ের সামনে পুলিশি প্রহরায় দলীয় কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন তারা।
ওই দিন সন্ধ্যায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে একটি বৈঠকে যাওয়ার উদ্দেশ্যে কার্যালয় থেকে বেরুলে গ্রেপ্তার করা হয় ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা আলমগীরকে। এ অবস্থায় দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে তার ওপর বর্তায় অনেক কর্তব্য।
দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সমন্বয়, জেলা ও তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা ও কেন্দ্রীয় নির্দেশনা পৌঁছে দেওয়া এবং কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের মামলা-হামলার সার্বিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহসহ অনেক কাজ। দলের স্বার্থেই গ্রেপ্তার এড়াতে কার্যালয়ে থেকে যান রিজভী।
রিজভী আহমেদ বলছেন তিনি অবরুদ্ধ আছেন। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বরাবরই তা অস্বীকার করা হয়।
উল্লেখ্য, রিজভী আহমেদ ১৯৮৪ সালে স্কপের ডাকা সামরিক শাসন বিরোধী হরতালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন।
বাংলাদেশ সময়: ০৩২২ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০৮, ২০১৩
এমএম/এমআইএস/সম্পাদনা: নূরনবী সিদ্দিক সুইন, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর