 |
| ছবি: সবিতা রহমান / বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
গণজাগরণ চত্বর থেকে: ভূমি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেছেন, ‘‘পাকিস্তান আমল থেকেই জামায়াত এদেশের বিরোধিতা করছে। এদের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনকে সফল করার জন্য আমি তরুণ প্রজন্মকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আর শুধু যুদ্ধাপরাধী নয়, অন্যদেরও বিচার করতে হবে।’’
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় শাহবাগের গণজাগরণ চত্বরে গণআন্দোলনে সংহতি জানিয়ে পরবর্তীতে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অ্যাডভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেন, ‘‘এবার বাংলাদেশকে যুদ্ধাপরাধী ও রাজাকারমুক্ত করতে হবে। আমরা নিজেদের মনে-প্রাণে এ গণআন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রেখেছি। এ আন্দোলন দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের পাপের কারণেই জামায়াত নেতাদের গণআন্দোলনের মুখে পড়তে হয়েছে।’’
তিনি এ গণআন্দোলন চালিয়ে যাওয়ারও আহ্বান জানান।
কাদের মোল্লাসহ যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগের গণজাগরণ চত্বরের গণআন্দোলনের ১৫তম দিন মঙ্গলবার। এ আন্দোলনের ঢেউ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে প্রবাসেও। নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ এ দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করছে। প্রতিদিনই বাড়ছে এ গণজোয়ারে আসা মানুষের সংখ্যা।
কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন সাজার রায় প্রত্যাখ্যান করে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে শাহবাগ মোড়ে এ বিক্ষোভের সূচনা করে ব্লগার ও অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট ফোরাম। এরপর বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরাসহ জনতা এ আন্দোলনে যোগ দেন। শাহবাগ হয়ে ওঠে গণজাগরণ চত্বর এবং সেখানকার গণজাগরণ মঞ্চ থেকে পরিচালিত হচ্ছে এ গণআন্দোলন।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার মহাসমাবেশ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয় জাগরণ সমাবেশ। উভয় সমাবেশেই যোগ দেয় লাখো জনতা। ২১ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে অনুষ্ঠিত হবে আরও একটি মহাসমাবেশ।
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ লড়াই চলবে বলেও ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
বাংলাদেশ সময়: ১৩১৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১২
এমআইআর/এটি/ সম্পাদনা: জনি সাহা, নিউজরুম এডিটর ও অশোকেশ রায়, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর- eic@banglanews24.com