 |
ঢাকা: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার বিবাদমান অঞ্চল কাশ্মীরের বিতর্কিত নিয়ন্ত্রণ রেখায় (লাইন অব কন্ট্রোল) ১৯৯৮ সালের পর থেকে ১২ জন পাক সেনার শিরশ্চেদ করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসলামাবাদ।
এ ব্যাপারে নিয়ন্ত্রণ রেখায় নিযুক্ত জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক সংস্থা ‘ইউনাইটেড ন্যাশন্স মিলিটারি অবজারভার গ্রুপ ইন ইন্ডিয়া এন্ড পাকিস্তান’র (ইউএনএমওজিআইপি) কাছে পৃথক অভিযোগপত্রও উপস্থাপন করেছে পাক প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
বুধবার পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও ইউএনএমওজিআইপির উদ্বৃতি দিয়ে এ খবর প্রকাশ করে ভারতের প্রখ্যাত সংবাদ মাধ্যম ‘দ্য হিন্দু’।
ইউএনএমওজিআইপি সূত্রের বরাত দিয়ে প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যম দ্য হিন্দু আরও জানায়, এ সময়ের মধ্যে ২৯ জন বেসামরিক নাগরিককে ভারতীয় সেনা কর্তৃক হত্যার অভিযোগও এনেছে পাকিস্তান।
সামরিক পর্যবেক্ষণ সংস্থাটির কাছে উপস্থাপিত অভিযোগপত্রে ভারতীয় সেনাবাহিনী আগ্রাসন চালাচ্ছে বলেও দাবি করে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী।
জাতিসংঘের পক্ষে চির বৈরি এ দু’দেশের সীমান্তে যুদ্ধবিরতি চুক্তি পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকা ইউএনএমওজিআইপি এ অঞ্চলের সার্বিক সামরিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে থাকে।
পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার উদ্বৃতি দিয়ে ‘দ্য হিন্দু’ জানায়, “ভারতীয় সেনাদের এ হিংসাত্মক আক্রমণে বরাবরই জাতিসংঘ ও নয়াদিল্লির কাছে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।”
বিতর্কিত নিয়ন্ত্রণ রেখায় (লাইন অব কন্ট্রোল) এ মাসের শুরুর দিকে পাল্টাপাল্টি ৫ জন সৈন্য হত্যার পর এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হলো।
ইসলামাবাদের দাবি ৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া প্রাণঘাতী গোলাগুলিতে ৩ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছে। তবে পাকিস্তানের এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে উল্টো ২ ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার দাবি করে নয়াদিল্লি। এর মধ্যে, ১ সেনার শিরশ্চেদ করা হয়েছে বলেও দাবি করে ভারতীয় সেনা কর্তৃপক্ষ।
এ প্রাণঘাতী সহিংসতার জের ধরে ১৬ জানুয়ারি দুই দেশের উর্ধ্বতন সেনা পর্যায়ের বৈঠক হলেও এখন পর্যন্ত দু’দেশের সার্বিক সম্পর্কে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বাংলাদেশ সময় : ১৭৪৫ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৩০, ২০১৩
সম্পাদনা : হুসাইন আজাদ, নিউজরুম এডিটর-eic@banglanews24.com