 |
| ছবি: নাজমুল হাসান/বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
ঢাকা: অবশেষে মোড়ক উন্মোচিত হলো পদ্মা সেতুর দুর্নীতির ষড়যন্ত্র নিয়ে সাংবাদিক মিজান মালিকের তথ্যানুসন্ধানমূলক গ্রন্থ ‘পদ্মা সেতু: পর্দার অন্তরালে’।
বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার শাহাবউদ্দিন চুপ্পু।
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুদকের পরিচালক উইং কমান্ডার তাহিদুল ইসলাম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, দুদকের উপ-পরিচালক জসসংযোগ প্রণব কুমার ভট্রাচার্য, ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ আকন, শ্রাবণ প্রকাশনীর প্রকাশক রবিন আহসান, এটিএন বাংলার এইচ এম সাগর, দৈনিক অর্থনীতি প্রতিদিনের সাঈদ আহমেদ প্রমুখ।
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বাংলানিউজের সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট আদিত্য আরাফাত। |
দুদক কমিশনার মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বলেন, “সাংবাদিক মিজান মালিকের ‘পদ্মা সেতু: পর্দার অন্তরালে’ গ্রন্থটি অতন্ত্য গুরুত্বপূর্ণ। এ গ্রন্থটি ইতিহাসে দলিল হয়ে থাকবে। মিজান মালিক চেষ্টা করেছেন বইটিতে সত্য উদঘাটন করতে। অত্যন্ত দক্ষতা, সততা, নিষ্ঠা ও পেশাগত দায়িত্ব বজায় রেখে তিনি এ গ্রন্থটি লিখেছেন।”
তিনি বলেন, “পদ্মা সেতু দেশবাসীর প্রত্যাশা। আর সেই প্রত্যাশা পূরণের জন্যই সাংবাদিকদের অনেক দায়িত্ব রয়েছে। সাংবাদিক মিজান মালিক সেই দায়িত্ব বোধ থেকেই এই গ্রন্থটি প্রকাশ করে জাতির প্রত্যাশা পূরণে একটি সহায়ক ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। এই বইটি পড়লে পদ্মা সেতু সর্ম্পকে মানুষের ধারণা আরও পরিস্কার হয়ে যাবে।”
বইটি প্রকাশের কারণ সম্পর্কে সাংবাদিক ও লেখক মিজান মালিক বলেন, ‘‘অনেকটা দায়বদ্ধতা থেকে বইটি প্রকাশ করেছি। ”
তিনি আরও বলেন, “পদ্মা সেতুতে কারা কীভাবে করেছিলেন দুর্নীতির নীল নকশা? কারা জড়িত দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের সঙ্গে। বিশ্বব্যাংক সেতুর দুর্নীতির ঘটনা নিয়ে যে অভিযোগ এনেছে, তার সত্যতাই বা কতটুকু মিলেছে দুদকের তদন্তে? দুদকের মামলাটি কি কারও মন রক্ষার জন্য? বিশ্বব্যাংক নেই সেতু প্রকল্পে। কিন্তু দুর্নীতির কি হবে? এমন অসংখ্য প্রশ্ন সামনে রেখে আমি বইটি লিখেছি।”
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান বলেন, “মিজান মালিক অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে গ্রন্থটি লিখেছেন। এ গ্রন্থটি সাংবাদিকতা তথা গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পদ্মা সেতু নিয়ে কোনো না কোনো দুর্নীতি অবশ্যই রয়েছে।”
শ্রাবণ প্রকাশনীর প্রকাশক রবিন আহসান জানান, সাংবাদিকদের লেখা বই তার প্রকাশনী থেকে সব সময়ই প্রকাশ করছেন। মিজান মালিককের এই গ্রন্থটি প্রকাশ করার বিষয়ে তিনি বলেন, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ বইটি দেশ বিদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করবে।
বইটির বিক্রয় মূল্য হোয়াইট প্রিন্টে ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বইটি প্রকাশ করেছেন শ্রাবণ প্রকাশনী। বাংলা একাডেমী বই মেলায় ২০৬ ও ২০৭ শ্রাবণ প্রকাশণী স্টলে বইটি বিক্রয় হচ্ছে। এছাড়া শাহবাগ আজিজ সুপার মার্কেটের শ্রাবণ প্রকাশনী বিক্রয় কেন্দ্রেও বইটি পাওয়া যাবে।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৪০ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৩
এডিএ/সম্পাদনা: আসিফ আজিজ, নিউজরুম এডিটর