পটুয়াখালী: মঙ্গলবার পটুয়াখালী জেলার বাউফল পৌরসভার নির্বাচন। বাউফল পৌরসভার এটি দ্বিতীয় নির্বাচন।
সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
রিটার্নিং অফিসার ও বাউফল উপজেলা নির্বাহী (ইউএনও) কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বাংলানিউজকে জানান, ৭ হাজার ৪৯৮ ভোটারের এ পৌরসভায় ৫ জন মেয়র প্রার্থী, ৩২ জন কাউন্সিলর এবং ১৭ জন মহিলা প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
তিনি জানান, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণের জন্য ৯টি কেন্দ্রে ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, ২৫০জন পুলিশ এবং ২৪ জন র্যাব সদস্য মোতায়েন থাকবেন। এছাড়া র্যাব ও পুলিশের আলাদা ৬টি স্ট্রাইকিং ফোর্সও কাজ করবে।
তাছাড়া নির্বাচন পরিচালনার জন্য বাউফল উপজেলার বাইরে থেকে ৯টি কেন্দ্রের জন্য ৯ জন সরকারি কর্মকর্তাকে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বরিশাল বিভাগের মধ্যে বাউফল পৌরসভার নির্বাচন একটু জটিল। কারণ হিসেবে তিনি জানান, সংসদের হুইপ ও বাউফল আসনের সংসদ সদস্য আ,স,ম ফিরোজের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের ব্যাপারে একাধিক অভিযোগ পত্রিকায় ব্যাপক লেখালেখিতে তার উপর বাড়তি চাপ রয়েছে।
প্রসঙ্গত, বাউফল পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া পান্নুকে (দোয়াত কলম) উপজেলা আওয়ামী লীগ সমর্থন দিলেও কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবকলীগের সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা জিয়াউল হক জুয়েল (তালা) আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি কাজী ফরিদুজ্জামান টিপু দেয়াল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে বিএনপির সমর্থনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়াও ব্যবসায়ী নিজাম উদ্দিন খান (কাপ-পিরিচ) এবং শফিকুর রহমান শিমুল (আনারস) মার্কায় নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
বাংলাদেশ সময়: ২১৪৯ ঘণ্টা, মে ২১ , ২০১২
প্রতিবেদন: জাকারিয়া হৃদয় ও মনজুর মোর্শেদ
সম্পাদনা: রোকনুল ইসলাম কাফী, নিউজরুম এডিটর