 |
কলকাতা : এবার বাংলাদেশের প্রকাশকদের মধ্য থেকে উঠে আসল কলকাতায় বাংলাদেশি বইবিক্রির একটি স্থায়ী বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব। কলকাতায় ৩৭ কম আন্তর্জাতিক বই মেলা প্রাঙ্গনে বাংলাদেশ প্যাভিলয়নের লেখক-প্রকাশক কর্ণারে এক আলোচনা সভায় এই প্রস্তাব দেওয়া হয়।
এই আলোচনা সভায় অংশ নেন- বইমেলা উপলক্ষে আগত বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থার প্রতিনিধি, ভারতে বাংলাদেশের বই আমদানীকারক ও কলকাতার বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা।
উপস্থিত ছিলেন- সাহিত্য প্রকাশের মফিজুল হক, আগামী প্রকাশনের ওসমান গনি, বাংলাদেশ পাবলিক লাইব্রেবির ডিজি আলিম তালুকদার ও সংস্কৃতি মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব মোশারফ হোসেন।
কলকাতার ছিলেন অল বেঙ্গল পাবলির্শাস অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক ছোটন কুমার ঘোষ, সাহিত্য সংসদের দেবজ্যোতি দত্ত ও গাঙচিল প্রকাশনের অধীর বিশ্বাস। আলোচনা সভাটি পরিচালনা করেন কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম।
এদিনের আলোচনায় ওঠে আসে, বাংলাদেশ সরকারের আমদানি শুল্কের কারণে পশ্চিমবঙ্গ থেকে যাওয়া বই বেশী দাম দিয়ে কিনতে হয় পাঠকদের। আর এই কারণে কলকাতার বই এর পাইরেসি বাড়ছে।
উল্টো দিকে, বাংলাদেশের বই এর কলকাতায় সঠিক প্রচার, বিপনন ও স্থায়ী বিক্রয়কেন্দ্রের অভাবে ঢাকার প্রকাশকরা এখানে ব্যবসা করতে পারছেন না।
আলোচনা শেষে আবিদা ইসলাম বলেন, স্থায়ী বিক্রয় কেন্দ্র কলকাতার কলেজ স্ট্রিটের বইপাড়ায় গড়ে তোলার উদ্যোগ বেসরকারী ভাবে নেওয়া হবে। আমরা তাতে সাহায্য করব। কলকাতায় রবীন্দ্র সদন বা অন্যত্র বড় আকারে বাংলাদেশ বই মেলা করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের বই সিলেবাসে পাঠ্য আছে।তা যাতে ছাত্র-ছাত্রী ও গবেষকরা পেতে পারেন সে বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
বাংলাদেশ সময় : ১০৩৫ ঘন্টা, ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০১৩
বাপ্পী/সম্পাদনা: সুকুমার সরকার, কো-অর্ডিনেশন এডিটর