 |
| ফাইল ছবি |
চট্টগ্রাম: অবশেষে ছয়দিন বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার বিকেল থেকে চট্টগ্রামের সঙ্গে কক্সবাজার ও বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ শুরু হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে আটকা পড়া পর্যটকরা ফিরতে শুরু করেছেন।
গত বৃহস্পতিবার যুদ্ধাপরাধের দায়ে জামায়াত নেতা দেলওয়ার হোসেন সাঈদীর ফাঁসির রায় দেয়ার পরদিন শুক্রবার থেকে লোহাগাড়া-সাতকানিয়ার বিভিন্ন অংশে গাছের গুড়ি ফেলে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় জামায়াত শিবির কর্মীরা।
এতে পর্যটন নগরী কক্সবাজার ও বান্দরবানে হাজার হাজার পর্যটক আটকা পড়েন। বিমানে ও জাহাজে করে কেউ কেউ আসতে সক্ষম হলেও অধিকাংশ পর্যটকই আটকা পড়েন সেখানে। ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হয় তাদের।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতা দেলওয়ার হোসেন সাঈদীর ফাঁসির রায় বাতিলের দাবিতে বৃহস্পতিবার থেকে রাস্তার বিভিন্ন অংশে গাছের গুড়ি ফেলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ও বান্দরবানের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় জামায়াত-শিবির কর্মীরা।
এছাড়া সড়কের বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে জামায়াত-শিবির কর্মীরা। তাদের বাধায় চট্টগ্রামের সঙ্গে কক্সবাজার ও বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে গত ছয়দিন ধরে।
তবে মঙ্গলবার বিকেল থেকে চট্টগ্রামের সঙ্গে কক্সবাজার ও বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ হয়েছে জানিয়ে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) ইলতুৎমিশ বাংলানিউজকে বলেন, ‘মঙ্গলবার বিকেল থেকে চট্টগ্রামের সঙ্গে কক্সবাজার ও বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ শুরু হয়েছে।’
দুই জেলাতেই মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে গাড়ি আসা যাওয়া করছে বলে জানা তিনি।
তিনি বলেন, ‘গত ৬দিন ধরে জামায়াত শিবির কর্মীরা চট্টগ্রাম কক্সবাজার ও বান্দরবান সড়কের লোহাগাড়া-সাকানিয়া অংশে গাছের গুড়ি, ইট ও টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে। ফলে চট্টগ্রামের সঙ্গে এ দু’জেলার সড়ক যোগযোগ বন্ধ থাকে।’
তিনি জানান, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কয়েকদফা রাস্তা থেকে গাছের গুড়ি সরিয়ে সড়ক যোগাযোগ সচল করলেও জামায়াত-শিবির কর্মীরা পুননায় সড়ক অবরোধ করে। ফলে ৫দিন ধরে চট্টগ্রামে সঙ্গে কক্সবাজার ও বান্দরবানের সড়ক যোগযোগ কার্যত বন্ধ থাকে।
বাংলাদেশ সময়:২০১২ঘণ্টা, মার্চ ০৫ ২০১৩
এমইউ/টিসি