জানা যায়, ২০১৪-১৫ অর্থবছর পর্যন্ত সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ কলেজ রোড বৈদ্যপাড়া এলাকার শামীম হোসেন তার একটি টিনের ঘরবাবদ বার্ষিক ৪০৫ টাকা করে হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করে আসছিলেন। কিন্তু এরপরের অর্থবছরে ভুলবশত কর বৃদ্ধিসংক্রান্ত একটি নোটিশ প্রদান ও শুনানীতে তার ওই ঘরবাবদ হোল্ডিং ট্যাক্স বহুগুণে বাড়িয়ে ২ হাজার ১৬০ টাকা করা হয়।
পরবর্তীতে ওই ঘটনায় আপত্তি জানিয়ে শামীম বসিকে একটি আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসরাইল হোসেন বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তা তদন্তের নির্দেশ দেন।
সর্বশেষ তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা শামীমের ৪৮০ বগর্ফুট আয়তনের ঘরের বার্ষিক মূল্যায়ন ৮ হাজার টাকার পরিবর্তে ৫ হাজার টাকা পুনর্নির্ধারণ করেন। ফলে মূল্যায়নের ২৭ শতাংশ হিসেবে বর্তমানে শামীমের হোল্ডিং ট্যাক্স ২ হাজার ১৬০ টাকার জায়গায় কমে গিয়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৩৫০ টাকায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা বেলায়েত হাসান বাবলু জানান, এ ধরনের ঘটনা খুব কম শোনা যায়। যার হোল্ডিং ট্যাক্স কমেছে সেই গ্রাহক এ ঘটনায় খুবই খুশি হয়েছেন। পাশাপাশি তিনি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৯১৪ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯
এমএস/এইচজে