|

‘জলবায়ু পরিবর্তনে অঙ্গীকারের শেষ নেই’
18 Feb 2013 05:50:49 AM Monday BdST
রহমত উল্যাহ, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: ‘‘জলবায়ু পরিবর্তনে অঙ্গীকারের শেষ নেই। অঙ্গীকার করতে তো অর্থ খরচ হয় না’’ বলে মন্তব্য করেছেন ‘পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন’র চেয়ারম্যান ড. খলিকুজ্জামান আহম্মদ। জলবায়ু ক্ষতিপূরণে বাংলাদেশকে ২০১০ থেকে ২০১২ পর্যন্ত প্রতিবছর ১০ বিলিয়ন টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও হিসেব করে দেখা গেছে এক বিলিয়ন টাকাও পায়নি। রোববার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বাংলাদেশ উন্নয়ন পরিষদের আয়োজনে ‘জলবায়ু পরিবতন: বৈষ্ণিক উষ্ণায়নে বাংলাদেশের অবস্থান’ শীর্ষক কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন। ইউরোপীয় ইউনিয়েনের আর্থিক সহযোগিতায় অক্সফ্যাম ও সিএসআরএস এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ড. খলিকুজ্জামান বলেন, “জলবায়ু পরির্বতনে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একটি। এ ক্ষতি পূরণের জন্য বেশি পরিমান গ্রিন হাউজ নিঃসরণকারী দেশ থেকে বারবার চেষ্টা করেও ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায়নি। শুধু টাকা মারলে দুর্নীতি হয় না। অঙ্গীকার রক্ষা না করলেও সেটা দুর্নীতি। কাজের সময় কাজ না করলে সেটা ও দুর্নীতি। তিনি আরো বলেন,‘ জলবায়ু পরিবর্তনে বাস্তবে কাজ করতে হবে। শুধু ফাইলটি তাকে রাখলাম আর কয়দিন পরে দেখলাম। সেটা করলে ক্ষতিপূরণ আদায় করা বা জলবায়ু পরিবর্তন করা যাবে না।” তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন,‘ শুধু বাংলাদেশেই দুর্নীতি আছে তা নয়, আমেরিকার মতো দেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও দুর্নীতি হয়। বাংলাদেশে ফান্ড আসার আগেই দুর্নীতি হচ্ছে। ফলে তা আসলেও কোনো কাজে আসছে না। জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশে ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমাদের যারা এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করে তারা এবং মিডিয়া কেউই জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশে কত মানুষ ক্ষতির শিকার হচ্ছে তা জানেন না।’’ জলবায়ু পরিবর্তনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জোর চেষ্টা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘‘আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ক্ষতির পরিমাণ জানানোর চেষ্টা চলছে। তবে শুধু ক্ষতির টাকার জন্য বসে থাকলে চলবে না। সচেতনা বাড়াতে হবে।”
এছাড়া সচেতনা বাড়াতে কর্মক্ষম লোক লাগবে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রাজনৈতিক সচেতনা বাড়াতে পারলে এবং রাজনীতিবিদরা সচেতন হয়ে সিদ্ধান্ত নিলে হয়তো এটা করা সম্ভব হবে বলে তিনি মত দেন। বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনে প্রযুক্তিগত দিক, অর্থনৈতিক দিকসহ কোনো দিকেই প্রস্তুতি নেই। আমেরিকার ২৯টি রাজ্যে খরা ও বন্যা হচ্ছে। তাদের অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত সব দিকে সক্ষমতা থাকাতে তারা মোকাবেলা করতে পারছে। এজন্য জলবায়ুর ক্ষতি সর্ম্পকে সচেতনা বাড়াতে তিনি মতামত ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ উন্নয়ন পরিষদ (বাপ) এর চেয়ারম্যান এমএ জলিলের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনা করেন, মফ এর সাধারণ সম্পাদক সায়িদ তানভীর হোসেন, বাপ এর পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ড. রেজাউল করিম, নির্বাহী পরিচালক ড. নিলুফার বানু প্রমুখ। বাংলাদেশ সময়: ০৫৩৬ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৩ আরইউ/সম্পাদনা: মীর সানজিদা আলম, নিউজরুম এডিটর
মিডিয়া হাউজ, প্লট#৩৭১/এ (৩য় তলা), ব্লক#ডি, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ
নিউজরুম মোবাইল ফোন: +৮৮-০১৭২৯০৭৬৯৯৬, ০১৭২৯০৭৬৯৯৯, ০১৭২৯০৭৭৩৩০, ০১৭২৯০৭৬৯৫৪
ফোন: +৮৮০ ২ ৮৪০২১৮১-২ আই.পি. ফোন: +৮৮০-৯৬১২১২০০০০ ফ্যাক্স: +৮৮০ ২ ৮৪০ ২৩৪৬
ইমেইল: news.bn24@gmail.com, news@banglanews24.com (সেন্ট্রালডেস্ক)
corr.bn24@gmail.com (কান্ট্রিডেস্ক), editor@banglanews24.com (এডিটর-ইন-চিফ)
বাংলায় লেখা হলে ইউনিকোডে পরিবর্তন করে ইমেইল করুন একটি ইডব্লিউএমজিএল প্রতিষ্ঠান কপিরাইট © 2013 banglanews24.com সকল স্বত্ব ® সংরক্ষিত
|
|