সিলেট থেকে: অস্ট্রেলীয় মেয়েদের ক্রিকেটে এই মুহূর্তে জ্বলজ্বলে তারকা মেগ ল্যানিং। মেয়েদের ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টির চতুর্থ আসরে এসে আরও ঔজ্জ্বল্য বাড়ালেন দুদিন আগে ২২ বছরে পা দেওয়া এই ক্রিকেটার।
৩৩ বলে আট চার ও এক ছয়ে বিশ্বমঞ্চে প্রথমবারের মতো ৫০ ছুঁয়েছিলেন এই ডানহাতি। এর আগের দুই ম্যাচে তার ব্যাটে এসেছিল ২ ও ৬ রান। টি-টোয়েন্টি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখা ল্যানিং আসল রূপ দেখালেন আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে।
ক্ষুদ্রতম সংস্করণে এদিন শতক খরাও কাটালেন বাউন্ডারি মেরে। ৫৩ বলে ১৩ চার ও তিন ছয়ে পৌঁছালেন তিন অঙ্কের ঘরে। তার সামনে তখনও আরও দুটি ব্যক্তিগত রেকর্ডের হাতছানি। ২০১০ সালেই মেয়েদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি দুটি সেঞ্চুরি দেখা গিয়েছিল।
ওই বছর মে মাসে দিয়েন্দ্রা ডটিন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্বকাপ মিশনে হাঁকিয়েছিলেন ৩৮ বলে সেঞ্চুরি, বিশ্বকাপের একমাত্র শতক হিসেবেই এতদিন টিকে ছিল সেটি। ৪৫ বলে সাত চার ও নয় ছয়ে ১১২ রান করেছিলেন ক্যারিবীয় তারকা। আর অক্টোবরে আইসিসি মেয়েদের টি-টোয়েন্টি চ্যালেঞ্জ টুর্নামেন্টে দক্ষিণ আফ্রিকার ওপেনার শান্দ্রে ফ্রিৎজ ৮১ বলে করেছিলেন ১১৬ রান। এতদিন ওটাই ছিল আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির সেরা ব্যাটিং পারফরমেন্স।
ল্যানিং সেটাও ছুঁলেন ছয় মেরে। ১৯তম ওভারের চতুর্থ বলে যৌথভাবে শীর্ষ টি-টোয়েন্টি রানের মালিক হন এই ডানহাতি। শেষ ওভারের তৃতীয় ও চতুর্থ বলে দুটি চার মেরে সেটাও ভাঙলেন অসি অধিনায়ক। ৬৫তম বলে ১৮ চার ও চার ছয়ে জয়েস বোনদ্বয়ের কাছে উইকেট বিলিয়ে দেন, এর আগে খেলেন ১২৬ রানের অসাধারণ এক ইনিংস।
শুধু মেয়েদের পরিসংখ্যানেই নয়, ছেলেদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির দিকে তাকালেও এটি দ্বিতীয় সেরা। ছেলেদের তালিকাতেও শীর্ষে আছেন স্বদেশী অ্যারন ফিঞ্চ (১৫৬)। দ্বিতীয় স্থানে ১২৩ রান নিয়ে নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। আরেকটি চমক জাগানিয়া তথ্য হচ্ছে, ছেলে ও মেয়েদের বিশ্বকাপ মিলে ল্যানিংই সেরা ব্যাটিং পারফরমার। তার পরেই আছে ম্যাককালাম।
বাংলাদেশ সময়: ১৭৫০ ঘণ্টা, ২৭ মার্চ ২০১৪