ঢাকা, রবিবার, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৯, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডেঙ্গু আক্রান্তদের চিকিৎসায় বিশেষ নজর

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১২৫৩ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২
ডেঙ্গু আক্রান্তদের চিকিৎসায় বিশেষ নজর ...

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের ১৪ উপজেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন ৯১ জন।

এসময়ে চট্টগ্রামে মেডিক্যাল সেন্টারে মিজানুর রহমান (২৬) নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি কর্ণফুলী এলাকার বাসিন্দা।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মীরসরাইয়ে ৩ জন আক্রান্ত ও ৩ জন সুস্থ  হয়েছেন। সীতাকুণ্ডে আক্রান্ত ৩ ও সুস্থ ৩ জন, সন্দ্বীপে আক্রান্ত ৪ ও সুস্থ ৩ জন, ফটিকছড়িতে আক্রান্ত ৬ ও সুস্থ ৩ জন, হাটহাজারীতে আক্রান্ত ২ ও সুস্থ ৪ জন, রাউজানে আক্রান্ত ৮ ও সুস্থ ৫ জন, রাঙ্গুনীয়ায় আক্রান্ত ৭ ও সুস্থ ৫ জন, বোয়ালখালীতে আক্রান্ত ৮ ও সুস্থ ১০ জন, আনোয়ারায় আক্রান্ত ৯ ও সুস্থ ১০ জন, পটিয়ায় আক্রান্ত ৯ ও সুস্থ ১৯ জন, বাঁশখালীতে আক্রান্ত ৯ ও সুস্থ ৯ জন, চন্দনাইশে আক্রান্ত ৫ ও সুস্থ ৬ জন, সাতকানিয়ায় আক্রান্ত ৬ ও সুস্থ ৪ জন এবং লোহাগাড়ায় ৯ জন আক্রান্ত ও সুস্থ হয়েছেন ৬ জন।

এসব উপজেলায় ২৮৪টি মেডিক্যাল টিম কাজ করছে। এছাড়া চলতি মৌসুমে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ডেঙ্গুর প্রকোপে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছয়শ ছাড়িয়েছে। আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে চট্টগ্রামে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২০ জন করে নতুন রোগী শনাক্ত হচ্ছে।

এদিকে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবের এ সময়েও নগরে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন নগরবাসী। মাঝেমধ্যে নালায় কিছু ওষুধ ছিটানো হলেও এডিস মশার আবাসস্থল বাসাবাড়ি ও আশপাশের জলাবদ্ধ স্থানে মশক নিধনের কোনো কার্যক্রম নেই বলে অভিযোগ রয়েছে।

ফৌজদারহাট বিআইটিআইডির সহযোগী অধ্যাপক ডা. মামুনুর রশিদ বলেন, নতুন করে যারা আক্রান্ত হচ্ছে তাদের কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসছে, শরীরে ব্যথা ও শরীর লালচে বর্ণের হয়ে যাচ্ছে। আমরা বহির্বিভাগে আসা রোগীদের পরীক্ষা করে ডেঙ্গু শনাক্ত হলেই ভর্তি করে নিচ্ছি।  

চমেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. অং সুই প্রু মারমা বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আলাদা কর্নার খোলা করা হয়েছে। পর্যাপ্ত শয্যাও রয়েছে।  

সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াস চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামে সেপ্টেম্বর মাসে এসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে গেছে। থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে। বৃষ্টি বন্ধ হলে হয়তো পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। ডেঙ্গু আক্রান্তদের চিকিৎসায় বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
 
বাংলাদেশ সময়: ১২৪০ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২ 
এসি/টিসি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa