ঢাকা: নির্মাণ শ্রমিকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য রাজমিস্ত্রি সম্মেলন করেছে বসুন্ধরা সিমেন্ট। সম্মেলনে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় বিভিন্ন সাইডে নিয়োজিত প্রায় ৮০ জন নির্মাণ শ্রমিক (রাজমিস্ত্রি) অংশ নেন।
মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর মিরপুরে একটি রেস্টুরেন্টে বসুন্ধরা গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা সিমেন্ট এ সম্মেলনের আয়োজন করে।
সম্মেলনে বসুন্ধরা সিমেন্টের ঢাকা ডিভিশনাল সেলস ম্যানেজার (ডিএসএম) পলাশ আক্তার, ডেপুটি ম্যানেজার (টেকনিক্যাল সাপোর্ট) ইঞ্জিনিয়ার কুদরতী এলাহী, সহকারী সেলস ম্যানেজার দেবব্রত দাস, ইঞ্জিনিয়ার ফারজানা, ডিপো ইনচার্জ শাহ শরিফ মাহমুদ প্রমুখ অংশ গ্রহণ করেন।
বসুন্ধরা সিমেন্টের গুণগত দিক রাজমিস্ত্রিদের কাছে তুলে ধরা হয় সম্মেলনে। সিমেন্ট শিল্পে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উৎপাদনক্ষম আধুনিক কারখানা রয়েছে একমাত্র বসুন্ধরা সিমেন্টেরই। এই কারখানায় ৫.০৫ মিলিয়ন টন সিমেন্ট উৎপাদন হয়। উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা হচ্ছে জার্মান প্রযুক্তি ভিআরএম। যা সিমেন্টের সূক্ষতা বাড়িয়ে দেয় এবং স্থাপনার দীঘর্স্থায়ী শক্তির নিশ্চয়তা দেয়।
বসুন্ধরা সিমেন্টের কাঁচামাল সংগ্রহ থেকে শুরু করে উৎপাদনের প্রতিটি ধাপে স্বয়ংক্রিয় কম্পিউটারাইজ প্রযুক্তি অনুসরণ করা হয়। বসুন্ধরা সিমেন্টের অন্যতম মূল উপাদান স্ন্যাগের বিশেষত্ব উপস্থাপন করা হয়। স্ন্যাগ সিমেন্ট এবং কংক্রিটের দীঘর্স্থায়ী শক্তি অর্জনে সহায়ক।
ফলে, বসুন্ধরা সিমেন্টের ২৮দিনের কম্প্রেসিভ স্ট্রেংথ তুলনামূলকভাবে অন্যান্য সিমেন্টের চেয়ে বেশি। স্ন্যাগ ক্ষতিকর সালফার এবং ক্লোরাইড প্রতিরোধক। যেকারণে, বসুন্ধরা সিমেন্ট সালফার ফ্লোরাইড রেজিস্টেন্স সিমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
বসুন্ধরা সিমেন্টে নির্মাণ হচ্ছে পদ্মাসেতু, পদ্মাসেতুর নদী শাসন কাজেও ব্যবহার করা হচ্ছে এই সিমেন্ট। পদ্মাসেতুর অ্যাপ্রোচ রোড, মহীপাল ফ্লাইওভার, সাসেক রোড প্রকল্প মেগা পাওয়ার প্লান্ট যত বড় বড় স্থাপনা রয়েছে। যেখানে ব্যবহার করা হচ্ছে বসুন্ধরা সিমেন্ট।
বাংলাদেশ সময়: ২০৩০ ঘণ্টা, মার্চ ২৯, ২০১৬
এসএম/পিসি