শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় সত্যজিৎ রায়ের ‘জন অরণ্য’ প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে শুরু হয় উৎসব। দিনের অন্য ছবিগুলো হলো— মালেক আফসারী পরিচালিত ‘এই ঘর এই সংসার’, আজিজুর রহমানের ‘ছুটির ঘণ্টা’ ও কৌশিক গাঙ্গুলির ‘সিনেমাওয়ালা’ ছবিগুলো।
উৎসবে দুই বাংলার ধ্রুপদি ও সমসাময়িক মিলিয়ে মোট ২০টি চলচ্চিত্র দেখানো হবে। শেষ হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি।
আয়োজকরা জানান, ওইদিন বিকেল সাড়ে ৪টায় হবে উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠান। সেদিন বাংলা চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হবে লেখক ও চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের পথিকৃৎ মুহম্মদ খসরুকে। তা ছাড়া ২০১৬ সালে নির্মিত শ্রেষ্ঠ বাংলা চলচ্চিত্রকে দেওয়া হবে ‘হীরালাল সেন পদক’।
প্রতিদিন চারটি করে ছবি দেখানো হচ্ছে সকাল ১০টা, দুপুর দেড়টা, বিকেল চারটা ও সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায়। ৩০ টাকার দর্শনীর বিনিময়ে চলচ্চিত্রগুলো যে কেউ দেখতে পারবেন।
১১ ফেব্রুয়ারি দেখানো হবে ঋত্বিক ঘটকের ‘সুবর্ণরেখা’, ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘খেলা’, মোরশেদুল ইসলামের ‘অনিল বাগচীর একদিন’ ও তৌকীর আহমেদের ‘অজ্ঞাতনামা’। ১২ ফেব্রুয়ারি থাকছে আলমগীর কবিরের ‘মহানায়ক’, তারেক মাসুদের ‘মাটির ময়না’ ও ‘আদমসুরত’, শবনম ফেরদৌসির ‘ভাষ্যজয়িতা’ ও গৌতম ঘোষের ‘শঙ্খচিল’।
১৩ ফেব্রুয়ারি দেখানো হবে এহতেশামের ‘পিচ ঢালা পথ’, শহীদুল ইসলাম খোকনের ‘পালাবি কোথায়’, সুমনের ‘রক্ত’ ও আবু শাহেদ ইমনের ‘জালালের গল্প’। শেষ দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি আছে জহির রায়হানের ‘স্টপ জেনোসাইড’, বাসু চ্যাটার্জির ‘হঠাৎ বৃষ্টি’, জাকির হোসেন সীমান্তর ‘শিকারি’ ও গিয়াসউদ্দীন সেলিমের ‘মনপুরা’।
'সুস্থ চলচ্চিত্র সুস্থ দর্শক’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে ছয় দশক ধরে বিশ্বের বিভিন্ন ধারার চলচ্চিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ চলচ্চিত্র শিল্প প্রসারে বিশেষ অবদান রাখছে। প্রতি বছর ফেব্রুয়ারিতে বাংলা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র নিয়ে সংসদ আয়োজন করে 'আমার ভাষার চলচ্চিত্র’ শীর্ষক চলচ্চিত্র উৎসব।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৪৩ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৭
এসও