ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ আষাঢ় ১৪২৯, ০৭ জুলাই ২০২২, ০৭ জিলহজ ১৪৪৩

জাতীয়

খুলনা রেলস্টেশন মাস্টারকে শোকজ, ৫ জন বদলি

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮১১ ঘণ্টা, মে ১৯, ২০২২
খুলনা রেলস্টেশন মাস্টারকে শোকজ, ৫ জন বদলি

খুলনা: রেলওয়ের নিয়ম ভঙ্গ করে পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীর নামে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করায় খুলনা রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার মানিক চন্দ্র সরকারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে সেই পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বিভিন্ন স্টেশনে বদলি করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) বিকেলে বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক পাকশী মো. শাহেদুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

তিনি বাংলানিউজকে জানান, স্টেশন মাস্টার মানিক চন্দ্র সরকার রেল প্রশাসনকে না জানিয়ে পুলিশে জিডি করেছেন যেটা ঠিক করেননি। সে কারণে তাকে শোকজ করা হয়েছে। ৭ কার্যদিবসের মধ্যে মানিক চন্দ্রকে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মো. শাহেদুল ইসলাম বলেন, মানিকচন্দ্র সরকার যে অভিযোগ করেছেন তা আমরা তদন্ত করছি। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তাদের বিভিন্ন স্টেশনে বদলির অর্ডার করেছি।  

গত ১৬ মে মানিক চন্দ্র সরকার টিকিট কালোবাজারীর অভিযোগ এনে দু’জন সহকারী স্টেশন মাস্টারসহ ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারীর নামে খুলনা থানায় জিডি করেন। যাদের বিরুদ্ধে জিডি করা হয়েছে তারা হলেন- টিএক্সআর বায়তুল ইসলাম, আইডব্লিউ অফিসের মো. জাফর মিয়া, তোতা মিয়া, সহকারী স্টেশন মাস্টার মো. আশিক আহম্মেদ ও সহকারী স্টেশন মাস্টার মো. জাকির হোসেন।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, খুলনা আইডব্লিউ অফিস স্টাফ, দুইজন সহকারী স্টেশন মাস্টারসহ ৫ জন কর্মকর্তা এবং আরও ৪/৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি সরাসরি টিকিট কালোবাজারীর সঙ্গে জড়িত। তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের নামে ভুয়া টিকিটের চাহিদা দিয়ে সংগ্রহ করেন। টিকিট না পেলে বহিরাগত লোকদের ডেকে এনে সংঘবদ্ধ হয়ে মাস্টারকে হেনস্থা করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। তাদের টিকিটের চাহিদা এতোটা বেড়েছে যে টিকিট না পেলে স্টেশন ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও মারধর করার মতো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর পায়তারা করছে। প্রকৃত পক্ষে রেলের কোনো ভিআইপি টিকিট সংরক্ষিত নেই। কিন্তু তারা সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে এ কাজে লিপ্ত। বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং স্টেশনের শান্তিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে এই জিডি করা হয়েছে।

যাদের বিরুদ্ধে জিডি করা হয়েছে তারা বলেন, আমরা টিকিট কালোবাজারি করেছি তার কোনো প্রমাণ দিতে পারবেন না স্টেশন মাস্টার। সংরক্ষিত কোটার টিকিটগুলো সব সময় স্টেশন মাস্টার নিজে মেনটেইন করতেন। আমাদের তিনি তালিকা দিলে আমরা সেই তালিকা অনুযায়ী টিকিট বিক্রি করতাম। যার প্রমাণ আছে আমাদের কাছে।   

বাংলাদেশ সময়: ১৮১০ ঘণ্টা, মে ১৯, ২০২২
এমআরএম/এসএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa