ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৬ মাঘ ১৪২৮, ২০ জানুয়ারি ২০২২, ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

রাজনীতি

বিএনপি ক্ষমতায় এলে তারেকের নির্যাতনকারীদের বিচার করা হবে: রফিকুল ইসলাম মিয়া

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৩৪৯ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ৪, ২০১০
বিএনপি ক্ষমতায় এলে তারেকের নির্যাতনকারীদের বিচার করা হবে: রফিকুল ইসলাম মিয়া

ঢাকা: তারেক রহমানকে যারা নির্যাতন চালিয়ে পঙ্গু করে দিয়েছেন বিএনপি আবার ক্ষমতায় এলে তাদের বিচার করা হবে বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত তারেক রহমানের দ্বিতীয় জেলমুক্তি দিবসের আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।



রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, ‘ওয়ান-ইলেভেন আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্রের ফসল। খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও বিএনপি এ ষড়যন্ত্রের শিকার। আর ওয়ান-ইলেভেনের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি সুবিধা ভোগ করেছেন শেখ হাসিনা। ’

তিনি বলেন, ‘যারা তারেক রহমানকে দুর্নীতিবাজ ও চোর আখ্যা দেন তাদের জেনে রাখা উচিত তারেকের বিরুদ্ধে যতোগুলো মামলা হয়েছে তার একটিতেও তাকে দুর্নীতিবাজ প্রমাণ করা যায়নি। সবই মিথ্যা মামলা। সুতরাং তিনি যে একজন ভালো মানুষ তাতে কোনোই সন্দেহ নেই। ’

তারেক রহমান একটি আধুনিক রাষ্ট্র গঠন করার জন্য এগিয়ে যাচ্ছিলেন উল্লেখ ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, ‘একজন ভালো মানুষ সুন্দর নেতৃত্বের মাধ্যমে যখন দেশকে উন্নতির দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন ঠিক সেই মুহূর্তে ষড়যন্ত্রকারীরা দেশকে ধ্বংস করার জন্য তার ওপর আঘাত হানে। ’

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর মহাসচিব ডা. এজেডএম জাহিদ, প্রফেসর ড. আমিনুল ইমলাম প্রমুখ।

উল্লেখ্য, তারেক রহমানের জেলমুক্তি দিবসের আলোচনায় বিএনপির মহাসচিবসহ দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা কেউই উপস্থিত ছিলেন না। তবে মহসাচবি খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন অসুস্থ উল্লেখ করে তার পক্ষে তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য কামনা করে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান দলের দপ্তর সম্পাদক রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ।

এদিকে, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল এবং যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নিরবের মধ্যে আগে-পরে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে এর আগে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তিন বার তর্কাতর্কি, হাতাহাতি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় আজ তাদের কাউকে বক্তব্য দিতে দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে দর্শক-শ্রোতা সারিতে থাকা যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এক পর্যায়ে দু’পক্ষই নিজ নিজ দলনেতার নামে স্লোগান দিতে শুরু করলে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া ও নজরুল ইসলাম খান তাদের এ কাজ থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করেন। পরে তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৩৪০ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ০৪, ২০১০

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa