মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) মিরপুরের তিনটি স্থানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কোয়ার্টার্স ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। পরে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানানো হয়।
তিনি বলেন, বর্তমানে ঢাকায় কর্মরত মাত্র আটভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারী সরকারি আবাসন সুবিধা পান। সরকার ২০১৯ সালের মধ্যে ৪০ ভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরকারি আবাসন সুবিধার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, সরকারি কাজে গতিশীলতা আনতে হলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সরকারি আবাসন সুবিধার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। মিরপুর এলাকায় গণপূর্ত অধিদফতরের আরও বেশকিছু পুরাতন ভবন রয়েছে। এসব ভবন ভেঙে সেখানে সুউচ্চ কোয়ার্টার্স ভবন নির্মাণ করে আরও প্রায় ১০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীর আবাসন সুবিধা গড়ে তোলা হবে। আজিমপুর ও মতিঝিলে ২০ তলা কোয়ার্টার্স ভবন নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে। বিচারপতিদের জন্য ৩ হাজার ৫শ’ বর্গফুটের ৮৬টি ফ্ল্যাট মার্চ মাসে হস্তান্তর করা হবে। মন্ত্রীদের জন্য বেইলি রোডে সুসজ্জিত একটি আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। এ আবাসিক ভবনে মন্ত্রীরা তাদের নিজস্ব ব্যবহারের জিনিস-পত্র নিয়ে পরিবারসহ ওঠবেন। কোনো ফার্নিচার আনতে হবে না। সচিবদের জন্য তিনটি বহুতল ভবনে ১১৪টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হচ্ছে। সব সচিবেরই এখানে আবাসনের ব্যবস্থা করা যাবে। এসব ভবনে সব সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
মন্ত্রী মিরপুর ৬ নম্বর সেকশনে গণপূর্ত অধিদফতরের কাঠের কারখানা কম্পাউন্ডে ১০টি ২০ তলা ভবনে ১০৬৪ টি ফ্ল্যাট, একই সেকশনে একটি ১২ তলা ও তিনটি ১৩ তলা ভবনে ২৮৮টি ফ্ল্যাট এবং মিরপুরের পাইকপাড়ায় আটটি ২০ তলা ভবনে ৬০৮টি ফ্ল্যাট নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন।
এ সময় গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মো, রফিকুল ইসলাম ও স্থাপত্য অধিদফতরের প্রধান স্থপতি কাজী গোলাম নাসির উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৫৪ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৩১, ২০১৭
এমএন/ওএইচ/আরআই