ঢাকা, রবিবার, ১০ ফাল্গুন ১৪৩১, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ২৩ শাবান ১৪৪৬

জাতীয়

ভোলার ১০ লঞ্চঘাটে পন্টুন নেই

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১০২৭ ঘণ্টা, এপ্রিল ২৫, ২০১৭
ভোলার ১০ লঞ্চঘাটে পন্টুন নেই ভোলার ১০ লঞ্চঘাটে পন্টুন নেই

ভোলা: ভোলার ১০টি লঞ্চঘাটে পন্টুন না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে নদী পার হচ্ছেন যাত্রীরা।

কাঠের সিঁড়ি বেয়ে উঠতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন তারা। এ ক্ষেত্রে বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে নারী ও শিশুদের।

শীতের সময় এসব এলাকায় লঞ্চে ওঠা-নামা করতে ঝুঁকি কিছুটা কম থাকলেও বর্ষায় ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। বর্ষাকালে অধিকাংশ সময় জোয়ারের পানিতে এসব ঘাট তলিয়ে থাকে। ফলে ভোগান্তি বাড়ে যাত্রীদের।

এসব ঘাট থেকে টাকা আদায় করলেও পন্টুন স্থাপনের কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না ইজারাদাররা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ভোলা সদরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার সঙ্গে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার যোগাযোগের সহজ মাধ্যম হচ্ছে নৌ-পথ। এ পথে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী যাতায়াত করছেন। কিন্তু পন্টুন না থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হয় তাদের। দুই/একটি স্থানে পন্টুন থাকলেও তা ব্যবহারের অনুপযোগী।
পন্টুনবিহীন ঘাটগুলো হলো-ভোলা সদরের ইলিশ বিশ্বরোডের দু’টি ঘাট, দৌলতখানের ভবানীপুর, মির্জাকালু, হাকিমুদ্দিন, তজুমদ্দিন, ভেলুমিয়া, লালমোহন, চরফ্যাশনের লেতরা ও মনপুরা উপজেলার রামনেওয়াজ লঞ্চঘাট।

দৌলতখানের ভবানীপুর ঘাটের যাত্রী মহিন বাংলানিউজকে বলেন, আমাদের মাঝে মধ্যে দৌলতখান থেকে ঢাকা যেতে হয়। কিন্তু ঘাটে পন্টুন না থাকায় সরু সিঁড়ি বেয়ে লঞ্চে উঠতে বা নামতে ভয় লাগে।

ভোলার ১০ লঞ্চঘাটে পন্টুন নেই

তজুমদ্দিন ঘাটের যাত্রী উজ্জ্বল বলেন, মির্জাকালু ঘাট থেকে আলোকজেন্ডার ও ঢাকায় বেশ কয়েকটি লঞ্চ চলাচল করে। কিন্তু ঘাটের পন্টুন নদী ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। এখন কাঠের সিঁড়ি বেয়ে ঝুঁকি নিয়ে লঞ্চে ওঠা-নামা করতে হয়। এতে প্রতিদিনিই ঘটে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

ভেলুমিয়া লঞ্চঘাট এলাকার সোহেল বলেন, এ ঘাট দিয়ে ধুলিয়া ও পটুয়াখালীর উদ্দেশে ছেড়ে যায় লঞ্চ। কিন্তু ঘাটে কোনো পন্টুন নেই।

ইলিশা বিশ্বরোড এলাকায়ও একই অবস্থা। সেখানকার বাসিন্দা আনোয়ার বাংলানিউজকে বলেন, গভীররাতে যাত্রীদের মনপুরা ও হাতিয়া যেতে হয়। কিন্তু পন্টুন না থাকায় বর্ষা মৌসুমে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।
 
এদিকে, সোমবার ভোলার পন্টুনবিহীন ঘাটগুলো পরিদর্শন করেছে বিআইডব্লিটিএ ও নৌ পরিবহন বিভাগের একটি প্রতিনিধি দল।

ভোলা বিআইডব্লিটিএ (ট্রাফিক) পরিদর্শক মো. নাসিম বলেন, পন্টুন ছাড়া  ঘাটগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। শিগগিরই দুই-তিনটি ঘাটে ১২০ লম্বা এবং  ৩৫ ফুট চওড়া পন্টুন স্থাপন করা হবে। এছাড়া ঘাটগুলোতে অত্যাধুনিক জেটি স্থাপন করা হবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৬২২ ঘণ্টা, এপ্রিল ২৫, ২০১৭
এসআই/এসআই

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।