এসময় এসব চিংড়ি বিক্রির দায়ে চার মাছ ব্যবসায়ীকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মঙ্গলবার (০৯ মে) বিকেলে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোবাশ্বের আলমের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ অভিযান পরিচালনা করেন।
এসময় জেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, সেনেটারি ইন্সপেক্টর শাহ আলী খান উপস্থিত ছিলেন।
সন্ধ্যায় সেনেটারি ইন্সপেক্টর শাহ আলী খান বাংলানিউজকে জানান, ফতেহ আলী বাজারে অবস্থিত সততা মৎস্য আড়তে প্রথমে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ক্ষতিকারক জেলি মিশ্রিত ৫০ কেজি চিংড়ি জব্দ করা হয়।
পাশাপাশি মাছ ও মাছজাত দ্রব্য পরিদর্শন এবং মান নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ১৯৮৩ আইন অনুযায়ী আড়তের মালিক আব্দুল খালেকের ২৫ হাজার জরিমানা করা হয়।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাছ ব্যবসায়ী হাবিবর রহমানে কাছ থেকে সাড়ে ৪ কেজি জেলি মিশ্রিত চিংড়ি জব্দ ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা, হাবিলের কাছ থেকে আড়াই কেজি চিংড়ি জব্দ ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং আব্দুল বাকির কাছ থেকে ৩ কেজি চিংড়ি জব্দ ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
বাংলাদেশ সময়: ২০১৬ ঘণ্টা, মে ০৯, ২০১৭
এমবিএইচ/জেডএস